ওয়েব ডেস্ক; ২৪ আগস্ট: আয়ুষ মন্ত্রকের অধীন স্বশাসিত প্রথম সারির সংস্থা নতুন দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ আয়ুর্বেদ (এআইআইএ), ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য ‘গর্ভিনী মিত্র’ পাঠ্যক্রমের সূচনা করেছে। এই উদ্যোগটি কাঠামোগত স্বাস্থ্যপরিষেবা দক্ষতা-উন্নয়ন কর্মসূচি, যার লক্ষ্য প্রশিক্ষিত কর্মী তৈরি করা যারা গর্ভাবস্থাকালীন এবং প্রসবের পরে মহিলাদের উপযুক্ত স্বাস্থ্য সংক্রান্ত শিক্ষা, জীবনশৈলী পথনির্দেশ এবং সামাজিক স্তরে উপযুক্ত সহায়তা প্রদান করবে।
এই পাঠক্রমটির মূলে আছে গর্ভিনী পরিচর্যা, সুতিকা পরিচর্যা এবং গর্ভাধান বিধি সংক্রান্ত চিরাচরিত আয়ুর্বেদিক ধারণা। অফলাইনে ছয় মাস এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে সোম থেকে শুক্র বিকেল ৩:০০টা থেকে ৫:০০টা পর্যন্ত। ট্রাইমস্টার-স্পেসিফিক ডায়েটিক্স, জীবনশৈলীর পরিবর্তন, গর্ভাবস্থায় উপযোগী সুরক্ষিত যোগাসন, প্রসবকালীন মানসিক সহায়তা, নবজাত শিশুর অঙ্গমর্দন এবং মৌলিক জীবন রক্ষাকারী বিধি সম্পর্কে বাস্তবোচিত দক্ষ করে তোলা হবে অংশগ্রহণকারীদের। পাঠ্যসূচিতে জোর দেওয়া হয়েছে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা, বায়োমেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং কর্মক্ষেত্রের সুরক্ষার উপর।
নতুন দিল্লির সরিতা বিহারে এআইআইএ ক্যাম্পাসে এই পাঠ্যক্রমের প্রতি ব্যাচে ২০ জন শিক্ষার্থী নেওয়া হবে। অন্তত ১৮ বছর বয়স এবং ভারতের যেকোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে দ্বাদশ পাশ করা সকলেই আবেদন করতে পারেন। যাদের দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষার ফল এখনো বেরোয়নি তারাও অস্থায়ীভাবে আবেদন করতে পারেন।
পাঠ্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পরে, প্রার্থীরা আয়ুষ সেন্টার, মেটারনিটি ক্লিনিক, এনজিও, কমিউনিটি স্বাস্থ্য প্রকল্প এবং ওয়েলনেস প্রতিষ্ঠানে গর্ভিনী মিত্র সহায়ক, প্রসবপূর্ব/প্রসবোত্তর পরিচর্যা সহায়ক, প্রসবপূর্ব সুস্থতা সংক্রান্ত পথ নির্দেশকারী এবং মাতৃস্বাস্থ্য সহায়ক কর্মী হিসেবে কাজ করতে পারেন।
গর্ভিনী মিত্র উদ্যোগটি ক্লিনিক্যাল অ্যান্টিমেটাল কেয়ারের বিকল্প নয়, বরং পরিপূরক। নিয়মমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগ রোগ নির্ণয়মূলক পরীক্ষা এবং রক্তচাপ ও হিমোগ্লোবিন পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষিত গর্ভিনী মিত্ররা গর্ভবতী মহিলাদের সাহায্য করেন আগাম ইঙ্গিত দিয়ে এবং সময়মতো উপযুক্ত চিকিৎসকের কাছে ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পাঠিয়ে।
আবেদন করার শেষ তারিখ ৩১ অগাস্ট, ২০২৬। আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য ব্রোশিওরটি দেখুন: অ্যাকাডেমিক ব্রোশিওর- গর্ভিনী মিত্র।
