ওয়েব ডেস্ক; ৩১ মার্চ : সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষায় অক্লান্তভাবে কাজ করে চলেছে ক্রেতা সুরক্ষা দফতর। বিশ্বায়নের নতুন অধ্যায়, প্রযুক্তিগত প্রবণতা এবং ই-বাণিজ্যের প্রসারের প্রেক্ষিতে এসংক্রান্ত ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক এবং সময়ের চাহিদার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ করে তুলতে ১৯৮৬-র আইন বাতিল করে চালু করা হয়েছে ২০১৯-এর ক্রেতা সুরক্ষা আইন।
নতুন আইনটির আওতায় তৈরি করা হয়েছে কেন্দ্রীয় ক্রেতা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ(সিসিপিএ)। ক্রেতার অধিকার সংক্রান্ত মামলার প্রক্রিয়ায় সরলীকরণ হয়েছে। শুনানির ক্ষেত্রে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর সুবিধা পাচ্ছেন ক্রেতারা। অভিযোগ দায়েরের ২১ দিনের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গৃহীত না হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জবাব দিতে হবে।
২০১৯-এর ক্রেতা সুরক্ষা আইনের আওতায় জেলা, রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় স্তরে উপভোক্তা কমিশন গড়ে তোলার সংস্থান রয়েছে। ক্রেতার অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিতে পারে এই কর্তৃপক্ষ।
জাতীয়স্তরে চালু হয়েছে ক্রেতা হেল্প লাইন-১৯১৫। বাংলাসহ ১৭টি ভাষায় সেখানে অভিযোগ জানানো যায়। এইসব অভিযোগ নিবন্ধিত হয় ইন্টিগ্রেটেড গ্রিভ্যান্স রিড্রেসাল মেকানিজম পোর্টালে। এরসঙ্গে সংযুক্ত হোয়াটস অ্যাপ নম্বর ৮৮০০০০১৯৫। এসএমএসও করা যেতে পারে ওই নম্বরে। এছাড়া ইমেল এবং এনসিএইচ অ্যাপের মাধ্যমেও অভিযোগ দায়ের করা সম্ভব। এনসিএইচ-এর সঙ্গে স্বেচ্ছায় যোগ দিয়েছে ১হাজার ৪৯টি বাণিজ্যিক সংস্থা।
উপভোক্তা অধিকার আইন ২০১৯-এর আওতায় সরকার জারি করেছে উপভোক্তা অধিকার (ই-বাণিজ্য)বিধি ২০২০। ই-বাণিজ্যে যুক্ত সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে এই বিধি প্রযোজ্য।
রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে একথা জানিয়েছেন ক্রেতা সুরক্ষা প্রতিমন্ত্রী বি এল ভার্মা।