ওয়েব ডেস্ক; ২ জুলাই : কৃষি এবং কৃষক কল্যাণ মন্ত্রকের অধীন জাতীয় বৃষ্টি পোষিত ক্ষেত্র প্রাধিকরণ (এনআরএএ) অসমের সোনিতপুর জেলায় ‘জংলি ধান (ওরিজা রুফিপোগোন)-এর যথাযথ সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনা’ নামে নিজস্ব প্রকল্পে ভারতের জংলি ধানের জেনেটিক উৎসের সংরক্ষণে এক উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। এই প্রকল্প রূপায়িত হয়ে আসছে ২০২২ থেকে নতুন দিল্লির আইসিএআর-ন্যাশনাল ব্যুরো অফ প্ল্যান্ট জেনেটিক রিসোর্সেস (আইসিএআর-এনবিপিজিআর) দ্বারা অসম স্টেট বায়োডাইভার্সিটি বোর্ডের সহযোগিতায়।

আইসিএআর-এনবিপিজিআর-এর একদল বিজ্ঞানী দেখা করেন এনআরএএ-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আইএএস ডক্টর চন্দ্রশেখর কুমারের সঙ্গে এবং তাঁকে অবহিত করেন জংলি ধানের জার্মপ্লাজম-এর অনুসন্ধান, সংরক্ষণ এবং শ্রেণীবিভক্তিকরণে প্রকল্পের সাফল্য সম্পর্কে। ওই দলটি জানায় যে, এই প্রকল্পে চিহ্নিত অসমের সোনিতপুর জেলার বরজুলিকে জাতীয় জীব বৈচিত্র্য প্রাধিকরণ বায়োডাইভার্সিটি হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করেছে। ভারতের সমৃদ্ধ জংলি ধানের বৈচিত্র্যের সংরক্ষণে এবং সমস্ত আবহাওয়ার উপযোগী চাষকে জোরদার করতে এই স্বীকৃতি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

গবেষক দলের প্রয়াসের প্রশংসা করে ডক্টর চন্দ্রশেখর কুমার বলেন, জংলি ধানের শ্রেনীটি সবরকম আবহাওয়ার উপযোগী উচ্চ ফলনশীল এবং পুষ্টিগত দিক দিয়ে উচ্চমানের চালের জন্য জিনের একটি অমূল্য উৎস। তিনি এই ধরনের অন্য শস্যের জংলি সংস্করণের অনুসন্ধান ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা ওপর জোর দেন যাতে সারাদেশে ভারতীয় কৃষির সহনশীল, সুস্থায়ী এবং দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, এনআরএএ-এর কৃষি ও উদ্যান চাষ বিভাগের অধিকর্তা ডক্টর পঙ্কজ কুমার শাহ এবং এনআরএএ-এর ওয়াটার শেড ম্যানেজমেন্টের প্রযুক্তিবিদ ডক্টর অনিল কুমার মিশ্র।

(পি আই বি)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *