ওয়েব ডেস্ক; ১১ ফেব্রুয়ারি : রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত যে প্রশাসনিক তথ্য দেয়, তার উপর ভিত্তি করে হেলথ ডাইনামিক্স অফ ইন্ডিয়া (এইচডিআই) (পরিকাঠামো ও মানবসম্পদ), বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। ২০২২-২৩ সালের বার্ষিক প্রকাশনায় জনস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে ডাক্তার, নার্স এবং বিশেষজ্ঞদের সংখ্যা ও অনুপাত বিশদে পাওয়া যাবে।
দেশে ১৩,৮৮,১৮৫ জন নিবন্ধিত অ্যালোপ্যাথিক ডাক্তার এবং ৭,৫১,৭৬৮ জন নিবন্ধিত আয়ুষ অনুশীলনকারী রয়েছেন। যদি ধরে নেওয়া হয়, অ্যালোপ্যাথিক এবং আয়ুষ উভয় পদ্ধতিতেই ৮০% নিবন্ধিত অনুশীলনকারীকে পাওয়া যাবে, তাহলে দেশে ডাক্তার-জনসংখ্যা অনুপাত ১:৮১১ বলে অনুমান করা হচ্ছে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ১:১০০০ মানদণ্ডের চেয়েও ভালো।

ইন্ডিয়ান নার্সিং কাউন্সিল (INC) অনুসারে, দেশে ৩৯.৪০ লক্ষ নার্সিং কর্মী রয়েছেন এবং ৮০% সক্রিয় ধরে নিলে, প্রতি হাজার জনসংখ্যায় নার্স-জনসংখ্যা অনুপাত ২.২৩ জন। দেশে নার্সিং কর্মীর চাহিদা মেটাতে ৫৩১০টি নার্সিং প্রতিষ্ঠান রয়েছে যার মধ্যে ৮০৬টি সরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে প্রতি বছর প্রায় ৩.৮২ লক্ষ নার্সিং কর্মী তৈরি হয়।

সরকারি হাসপাতালে শূন্যপদ পূরণ সহ জনস্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রাথমিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সরকারের। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে কর্মসূচি রূপায়ণ পরিকল্পনার আকারে প্রাপ্ত প্রস্তাবের ভিত্তিতে গ্রামীণ এলাকায় জনস্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। ভারত সরকার বিধিনিয়ম ও সম্পদ বিবেচনা করে প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়। রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি দীর্ঘমেয়াদে ভারতীয় জনস্বাস্থ্য মান (আইপিএইচএস) অনুসারে পর্যাপ্ত সংখ্যক নিয়মিত পদ তৈরি করে এবং স্বল্প থেকে মধ্যমেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ শূন্যস্থান পূরণের জন্য এনএইচএম পদ ব্যবহার করে মানবসম্পদ সরবরাহ নিশ্চিত করে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রতাপরাও যাদব রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এই তথ্য জানিয়েছেন।