ওয়েব ডেস্ক; ৭ জুলাই : রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মু আজ রাষ্ট্রপতি ভবন কালচারাল সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের ডুরান্ড কাপ টুর্নামেন্টের ট্রফির আবরণ করেন।
এই উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ডুরান্ড কাপের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত প্রাক্তন ও বর্তমান কর্মকর্তা এবং খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন যে, এই টুর্নামেন্টটি বহু প্রতিভাবান ফুটবলারের জন্য একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছে।
শ্রীলঙ্কার একটি দল সহ বেশ কয়েকটি নতুন দল এ বছর ডুরান্ড কাপ, প্রেসিডেন্টস কাপ এবং শিমলা ট্রফিতে অংশ নিতে যাচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন যে, নতুন দলগুলির অংশগ্রহণের ফলে এই ঐতিহাসিক প্রতিযোগিতাটি আরও বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। তিনি অংশগ্রহণকারী সবকটি দল ও খেলোয়াড়দের শুভকামনা জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ফুটবল বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় একটি খেলা। এটি শ্রেষ্ঠত্ব, ঐক্য এবং ক্রীড়াসুলভ মনোভাবের এক অনন্য নিদর্শন। তিনি বলেন যে, এখন ফিফা বিশ্বকাপে বিশ্বের সেরা দল ও খেলোয়াড়রা নিজ নিজ দেশের ফুটবলের মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিশ্বজুড়ে এইসব দল ও খেলোয়াড়দের অসংখ্য ভক্ত রয়েছেন, যারা তাঁদের চমৎকার ক্রীড়া নৈপুণ্যের প্রশংসা করেন। ফুটবল মানুষকে একত্রিত করে এবং খেলোয়াড়দের অসাধারণ পারফরম্যান্স সর্বত্র ক্রীড়াপ্রেমীদের অনুপ্রাণিত করে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্ব ফুটবলের আঙিনায় নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে ভারতের এখনও দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া বাকি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই টুর্নামেন্টটি ফুটবলের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন যে, ক্রীড়াসুলভ মনোভাবের গুরুত্ব কেবল খেলাধুলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি আমাদের সাম্য, সহযোগিতা এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও অবিচল থাকার মূল্যবোধ শেখায়। ২০৪৭ সালের মধ্যে আমাদের দেশকে ‘বিকশিত ভারত’-এ রূপান্তরের লক্ষ্যে আমরা এগিয়ে চলেছি। তিনি দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেন যে, ফুটবল খেলোয়াড়রা যেমন দলের জয়ের জন্য একে অন্যকে সহায়তা করেন, ঠিক তেমনই দেশের নাগরিক হিসেবে আমরাও ঐক্যবদ্ধ থেকে ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্য অর্জনে সফল হব।
