ওয়েব ডেস্ক; ১৭ আগস্ট: দেশে অপুষ্টির মোকাবিলায় পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের আওতায় অঙ্গনওয়াড়ী পরিষেবা, পোষণ অভিযান এবং বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছনো কিশোরীদের জন্য প্রকল্পের মতো উপাদানগুলিকে এক ছাতার তলায় এনে সক্ষম অঙ্গনওয়াড়ী ও পোষণ ২.০ প্রকল্পে সংযুক্ত করা হয়েছে। এটি একটি কেন্দ্রীয় মিশন, তবে এর রূপায়ণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে।
এই মিশনের আওতায় ৬ মাস থেকে ৬ বছর পর্যন্ত শিশু, গর্ভবতী মহিলা, স্তন্যদানকারী মা ও কিশোরীদের বিকল্প পরিপূরক পুষ্টির ব্যবস্থা করা হয়। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের দ্বিতীয় তপশীলে পরিপূরক পুষ্টির বিধিনিয়ম রয়েছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে এগুলি সংশোধন করা হয়। সংশোধিত বিধিনিয়ম আরও সার্বিক ও সুষম। এতে উচ্চগুণসম্পন্ন প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও পুষ্টি কণিকার সংস্থান রয়েছে।
২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে পরীক্ষামূলকভাবে সুবিধাভোগীদের মুখের সনাক্তকরণ ব্যবস্থা চালু হয়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশজুড়ে ঐচ্ছিকভাবে এর প্রয়োগ করা হয়। সঠিক সুবিধাভোগীদের কাছে যাতে প্রকল্পের সুফল পৌঁছায় তা নিশ্চিত করে এই পদ্ধতি। আধারের তথ্যের সঙ্গে সংযুক্ত করে ই-কেওয়াইসি গ্রহণ করা হয়।
চলতি বছরের ৫ অগাস্ট পর্যন্ত ৪.৯১ কোটি সুবিধাভোগীর মধ্যে ৩.৬৯ সুবিধাভোগীর মুখ সনাক্তকরণ এবং ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন হয়েছে যা প্রায় ৭৫.১২ শতাংশ।
এই কাজ আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রকের আধিকারিকরাও ঘন ঘন বিভিন্ন রাজ্য সফর করেন।
লোকসভায় এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী সাবিত্রী ঠাকুর এই তথ্য জানিয়েছেন।
