ওয়েব ডেস্ক; ১০ মে: পিএমজেজেবিওয়াই: ১৬ কোটির বেশি নথিভুক্তিকরণ। পিএমএসবিওয়াই: ৩৪ কোটির বেশি নথিভুক্তিকরণ। এপিওয়াই: ৫ কোটির বেশি গ্রাহক।
প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনা (পিএমএসবিওয়াই), প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বিমা যোজনা (পিএমজেজেবিওয়াই) এবং অটল পেনশন যোজনা (এপিওয়াই)- এই তিনটি সামাজিক সুরক্ষা (জন সুরক্ষা) প্রকল্পের ৮ বছর পূর্তি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০১৫ সালের ৯ই মে কলকাতায় পিএমজেজেবিওয়াই, পিএমএসবিওয়াই এবং এপিওয়াই-এর সূচনা করেছিলেন।
মানুষের জীবন এবং আর্থিক ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তার কথা ভেবেই নাগরিকদের কল্যাণে এই তিনটি প্রকল্প উৎসর্গ করা হয়েছিল। এর মধ্যে পিএমজেজেবিওয়াই এবং পিএমএসবিওয়াই, এই দুটি ছিল বিমা প্রকল্প এবং এপিওয়াই হল বয়স্কদের জন্য পেনশন প্রকল্প।
জন সুরক্ষা প্রকল্প সম্পর্কে বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেন, “নাগরিকদের ব্যাঙ্কিং সুযোগ-সুবিধা এবং সামাজিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১৪ সালে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির জন্য জাতীয় মিশন-এর সূচনা করা হয়েছিল। নাগরিকদের কল্যাণ এবং জীবনের অনিশ্চয়তার কথা মাথায় রেখে এই তিনটি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের মানুষকে আর্থিকভাবে সুরক্ষা প্রদান করা হচ্ছে।”
সীতারমন বলেন, ২০২৩এর ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত পিএমজেজেবিওয়াই, পিএমএসবিওয়াই এবং এপিওয়াই প্রকল্পে যথাক্রমে ১৬.২ কোটি, ৩৪.২ কোটি এবং ৫.২ কোটি নথিভুক্তিকরণ হয়েছে।
তিনি বলেন, “পিএমজেজেবিওয়াই প্রকল্পে ৬.৬৪ লক্ষ পরিবারকে ১৩,২৯০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। পিএমএসবিওয়াই প্রকল্পে ১.১৫ লক্ষ পরিবারকে ২৩০২ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।”
কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী ডঃ ভগৎ কিষান রাও খাড়ার বলেন, “সরকার গ্রামাঞ্চলের মানুষকে এর আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে এবং প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচার কর্মসূচী সংগঠিত করা হচ্ছে।”
