একুশে জুলাই দিনটি তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিবছর কলকাতার ধর্মতলার বুকে বিশাল সমারোহ উদযাপন করতো। বাদ সাধল করোনা। গতবছর ভার্চুয়াল ভাবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একুশে জুলাই এর অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিয়েছিলেন। এবছরও তার কোনো রকম ব্যতিক্রম হয়নি। এই বছর শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ নয় দেশের বিভিন্ন রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শোনার জন্য জায়েন্ট স্ক্রিন লাগানো হয়েছিল।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগোতে চাইছেন সে বিষয়টি আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল।
করোনা পরিস্থিতি নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কে বারবার বিধলেন তার বক্তৃতায়। করোনায় রোগীর মৃত্যু অক্সিজেন ওষুধ সবকিছু নিয়েই তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এছাড়া গঙ্গায় ভেসে আসা দেহ নিয়ে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস যেমন রান্নার গ্যাস দাম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া করোনার টিকা তার সাথে পিএম কেয়ার টাকা নিয়েও আওয়াজ তোলেন।
তিনি বলেন, তৃতীয় বারের জন্যও বাংলার মসনদে মানুষ তাদের বসিয়েছেন সমর্থন দিয়েছেন। লোকবল অর্থবল সবকিছু কে পরাস্ত করে। সমর্থন জানিয়েছেন সারাদেশের এবং বিশ্বের মানুষ।বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কে ডেলি প্যাসেঞ্জার সঙ্গে তুলনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। ভোটের আগে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যেভাবে রাজ্যে এসেছেন সেই বিষয়কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডেলি প্যাসেঞ্জার হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনকে বিজেপির পার্টি অফিসের সাথে তুলনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এছাড়া সম্প্রতি যে বিষয়টি নিয়ে রাজ্য রাজনীতি আরো বেশি করে তোলপাড় হয়েছে তা হলো ফোনে আড়িপাতা। সেই বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, এটি একটি ষড়যন্ত্র। কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারছে না। নেতা-মন্ত্রী বিরোধী নেতা বিচারপতি সবার ফোনে আড়িপাতা হচ্ছে। এই আড়িপাতায় খরচ করা হচ্ছে অনেক টাকা।
আগামী ১৬ ই আগস্ট খেলা দিবস হিসেবে পালন করা হবে। রাজ্যে রাজ্যে খেলা হবে। ঘোষণা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে তার বক্তব্য রাজ্যে কোথাও হিংসা হয়নি এটি সম্পূর্ণ মিথ্যে অভিযোগ। কর্মী সমর্থকদের প্রতি তার আহবান পেট্রোল ডিজেল করোনার টিকা প্রভৃতি নিয়ে মিছিল করতে হবে।
