কুণাল পাল
বারান্দার এক কোণে দাঁড়িয়ে, উদাস নয়নে বাইরের দিকে তাকিয়ে আছে ঈশা। পড়ন্তবেলার আতপ্ত রৌদ্র মাখানো হিমেল বাতাসে ঈশার রেশমি চুলগুলো উড়ছে। একটা অদ্ভুত আলোড়ণ, একটা ভীষণ দ্বন্দ চলছে ঈশার মনে। কাল বাদে পরশু তার আশীর্বাদ রজতাভর সঙ্গে। এখনতো ওর আনন্দ করার কথা। দশ বছরের প্রেম পরিণতি পেতে চলেছে। কিন্তু তার মনে কিসের এই দ্বিধা? কিসের এত দ্বন্দ? কেন বার বার মনে হচ্ছে, হয়তো সে জীবনে কোন ভুল করতে চলেছে?
হঠাৎ চমকে উঠলো সে বাবার গলা শুনে। কি হয়েছে মা? এত উদাস হয়ে কি ভাবছিস?’ বাবা জিজ্ঞেস করলেন। ইনি হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি সব সমস্যায় ঈশার পাশে দাঁড়িয়েছেন সম্পূর্ণ সহমর্মিতার সঙ্গে। বাবাই ঈশার জীবনের সব চেয়ে কাছের বন্ধু। রজতাভকে চূড়ান্ত অপছন্দ করা সত্বেও নিজের দুঃখটা বুকে চেপে, শুধুমাত্র মেয়ের খুশীর জন্য এই বিয়েটা মেনে নিয়েছেন তিনি, সেটা ঈশা ভাল করেই। জানে।
ক্রমশ…….
