পপি পারমিতা ( ঢাকা , বাংলাদেশ)

ষষ্ঠ পর্বের পর…..

বাবা! বলেই চিৎকার করে ছুটে এলো জ্যোতি, মেয়েকে আঁকড়ে ধরল রতন। রতন পারুলের ফোন পাওয়ার একদিন পরই এলো শ্বশুড় বাড়িতে। – মেয়েটাতো বড় হচ্ছে। ওকেতো স্কুলে ভর্তি করে দিতে হবে। স্ত্রীকে নয়, মেয়ের মাকে নিয়ে যেতে এলো রতন ।

বাবা, তুমি কাঁদছো?

না মামনি?

আমাদের নিয়ে যাবে না বাসায়?

হুম নিয়ে যাবো।

কিন্তু না। পারুলের মুখটি দেখে ঘেন্নায় মুখ সরিয়ে নিয়েছিল রতন। সে একাই ফিরেছিল সেদিন বাসায়। না বাসা নাকি সেটি। বাসা বাঁধে মানুষ সম্পর্কে, ভালোবাসায়। এখানে শুধু দেয়াল। বিশাল বিশাল দেয়াল।

পারুল যাওয়ার পর সমিরনও চলে গিয়েছিল। রতন থাকে একেবারেই শূন্য গৃহে। সেইবার হুট করেই শ্বশুর সাহেব চলে এলেন।

বাবা, আমি তো এবছর পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কায় যাচ্ছি। আমার দায়িত্ব আমি সেরে দিয়ে যেতে চাই। আমার মেয়েটি, মানে তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছে দিয়ে যেতে চাই। দেখো বাবা, স্বামী স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া হয়ই। তোমাদের মধ্যে যদি কোনো সমস্যা থাকে, সেটা ফয়সালা করে ফেল, সংসারটা করো।

ক্রমশ…….