ডিজিটাল ডেস্ক; ১৯ ফেব্রুয়ারি: বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স ওপারে মাছ ধরতে গিয়ে ফিরে আসা একটি বালককে ১১ টি সোনার বিস্কুট সহ ধরেছে, কিন্তু তার বাবা পালিয়ে গিয়েছে। তার কাছ থেকে পাওয়া সোনার বিস্কুটের ওজন ১২৬৫.৯৯ গ্রাম, যার আনুমানিক মূল্য ৬৫,৪৮,৯৬৬/- টাকা।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারী উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সীমান্ত এলাকায় মোতায়েন বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের অ্যাডহক সেভেনথ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি মধুপুরের জওয়ানরা ১১ টি সোনার বিস্কুট সহ একটি বালককে ধরেছে। ছেলেটি তার বাবার সাথে ওপারে জমি চাষ ও মাছ ধরতে গিয়েছিল। ধরা পড়া বালক উত্তর ২৪ পরগণা জেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম হরিহরপুরের বাসিন্দা আসিফুল মন্ডলের ছেলে, যার নাম আসিফ মন্ডল (বয়স ১১ বছর)।

আটক হওয়া বালকের স্বজনসহ গ্রামপ্রধানকে গোটা ঘটনার কথা জানানো হয়।

বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স এক বিবৃতিতে বলেছে যে গ্রেফতারকৃত বালকটির পিতা তারবন্দির ওপারে কৃষিকাজ করতে গিয়েছিল, সে এখনও পলাতক। শিশুটির বাবাও এই মামলায় জড়িত এবং সে বাংলাদেশ পালিয়ে গিয়েছে এমন সম্ভাবনাও রয়েছে। বালকের বাবাকেও খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে বিএসএফ। এছাড়াও এই সোনার ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে যে এই সোনার বিস্কুট গুলো বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী গ্রাম বাতবেরিকের বাসিন্দা তাহির মন্ডল এই বালককে দিয়েছে। এই শিশুর কাছ থেকে তার প্রতিবেশী মজিদ মণ্ডল, পিতা-প্রয়াত আনসুদ্দিন মণ্ডল এসব সোনার বিস্কুট পরে নিয়ে নিত বলেও জানা গেছে। গ্রেফতারকৃত বালকটির গ্রামপ্রধান ও পরিবারকেও এই পুরো ঘটনার কথা জানানো হয়েছে।

আটককৃত বালককে বাজেয়াপ্ত সোনার বিস্কুট সহ বনগাঁর কাস্টম ডিপার্টমেন্টে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাচালান রোধে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। যার কারণে এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতরা চরম বিপাকে পড়ছে। কর্মকর্তা আরও কড়া ভাষায় বলেন, আমরা কোনো অবস্থাতেই আমাদের এলাকা থেকে চোরাচালান হতে দেব না।