পপি পারমিতা ( ঢাকা , বাংলাদেশ)

১১ তম পর্বের পর…..

রতন যেন শ্বাস নিতেও ভুলে যায়। মৃতপ্রায় নির্বাক হয়ে রয়। ওপাশের অপরিচিতা রতনের কোনো শব্দ না পেয়ে নিজেই আরও শব্দ যোগ করে, আপনি যখন বাসায় থাকেন না, প্রায়ই আপনাদের গাড়ির ড্রাইভার

আপনাদের বাসায় আসে। ব্যাপারটা আমার খুব চোখে লাগে আমি ওদের ওপর নজর রাখতে শুরু করলাম। আমার বাড়ির ছাদে উঠলে আপনাদের শোবার ঘরের জানালার ভেতর গলে কিছুটা দেখা যায়। আমি ওই বদমাশ ড্রাইভারকে দেখেছি ওখানে। আপনি ইচ্ছে করলেই ওদের হাতেনাতে ধরতে পারবেন। আমি আবার দেখলেই আপনাকে ফোন দেব। আপনি প্লিজ আমার ফোনটা রিসিভ করবেন।

লাইন কেটে গেল। আর এদিকে কেটে কেটে যাচ্ছে রতনের ভেতরটাও। দিনের আলোর মাঝেই নিকষ কালো অন্ধকার নেমে এলো। রোদ বৃষ্টির খেলা চলছে, এভাবে কতদিন রতনের জীবনে?

পরদিনই আবার সেই ফোন এলো রতনের কাছে। আপনি আসুন। এক্ষুনি আসুন।

ক্রমশ…..