প্রিয়ম্বদা প্রিয়া

নবম পর্বের পর…..

তুমি এমন লম্পট চরিত্রের তা আগে কখনো বুঝিনি। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চরিত্রের বিকাশ হয়। তা তোমারো ভালোই বিকাশ হয়েছে। আমার মনের কোণে তুমি কোথাও না কোথাও জীবিত ছিলে। আজ নিজ হাতে তোমার অস্তিত্ব আমার মন থেকে শিকর সমেত তুলে ফেললে, তার জন্য ধন্যবাদ। একটা বাইক এসে দাঁড়াল। হেলমেট খুলে বাইক থেকে নামল এক ব্যক্তি। বেশ লম্বা, চওড়া কাঁধ। চোখ মুখ তীক্ষ্ণ। গায়ের রং চাপা।

মৈত্রী বলল… ‘উনি আমার হাজবেন্ড। অভি বোস। ‘ভদ্রলোক করমর্দনের ভঙ্গিতে হাত বাড়িয়ে দিল। অরিন্দমও হাত বাড়াল। মৈত্রী বলল…. ‘অভি, আমার কলেজের বন্ধুর রীতিমত সন্দেহ আমি তোমায় ভালোবাসি না!’ অভি দুকদম এগিয়ে গেল অরিন্দমের দিকে… ‘আপনি কে মশাই? যেন হন আমার শুভচিন্তক! কি করে ধরলেন বলুন তো!’ মৈত্রী ঠোঁট বেঁকাল। অভি হাসল… ‘আর বলবেন না অত্যাচার করে জীবন শেষ করে দিল। বলে চিনি ছাড়া চা খাও।’… তোমার ভালোর জন্যই বলি! পুরো ফ্যামিলির তো সুগারের রোগ!’

ক্রমশ…..