পপি পারমিতা ( ঢাকা, বাংলাদেশ)
১২ তম পর্বের পর …….
রতন উদভ্রান্তের মত ছুটল বাড়িতে। বাড়ির প্রতিটি দরজার এক সেট চাবি থাকে রতনের কাছে। আজ নিজ গৃহেই নিঃশব্দে ঢুকল রতন। শোবার ঘরের দরজা খোলাই ছিল।
বিছানায় শুয়ে আছে বিবসনা পারুল। ওর পাশে উলঙ্গ পরপুরুষ। এ বিছানাতেই স্ত্রীকে নিয়ে প্রথম রাত, ফুলশয্যার পবিত্র রাত অতিবাহিত করেছে রতন। ছোট্ট জ্যোতির জন্মের পর বাবা মায়ের মাঝখানে শুয়েছিল নিষ্পাপ শিশুটি এ বিছানাতেই। নাহ্। রতন দাঁড়িয়ে থাকতে পারল না। ছিটকে বেরিয়ে পড়ল। গাড়ি ছুটিয়ে দিল অজানার উদ্দেশে। কিছুক্ষণ তারপর থামতেই হলো। রাস্তার একপাশে গাড়িটি থামিয়ে নেমে পড়ল রতন। তাঁর চোখে তখনও ফুটে আছে পারুলের ধবধবে সাদা অনাবৃত উরু। রাস্তার পাশে ড্রেনে গলগল করে বমি করতে আরম্ভ করল রতন। আর কী আশ্চর্য এতক্ষন যে চোখ ফেটে অশ্রুধারা বইছিল তা নিমেষেই শুকিয়ে গেল! শঙ্খিনী জাতীয় নারী।
শঙ্খিনী শ্রেণির নারীগন অত বেশি রূপসী ও সুন্দরী না হলেও একেবারে অসুন্দরও নয়। তাদের মুখমন্ডল্ গোলগাল উজ্জ্বল। গাত্রবর্ণ সুন্দর এবং আকর্ষনীয়।
ক্রমশ…..
