ডিজিটাল; ২২ এপ্রিল: সমীক্ষা অনুযায়ী অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার প্রধানত স্নায়ুতন্ত্রের কিছু ত্রুটির জন্য এটি দেখা যায়। ব্যক্তির সামাজিক, আচরণগত এবং যোগাযোগের বিষয়ে এই ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে।
বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস হিসেবে ২ এপ্রিল পালন করা হয়। তাই সম্পূর্ণ এপ্রিল মাস অটিজম সচেতনতা মাস হিসাবে গণ্য করে কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সেস্ ২২ এপ্রিল অটিজম নিয়ে এক সেমিনারের আয়োজন করে।
সারা বিশ্ব থেকে বিশিষ্ট চিকিৎসক এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ডাক্তার শশী পাঁজা। তিনি বলেন, অটিজমের লক্ষণ গুলি খুব তাড়াতাড়ি যদি আমরা বুঝতে পারি তাহলে ছোট বয়স থেকেই এর সঠিক চিকিৎসা করা যায়। এটি কেন হয়, কিংবা সম্পূর্ণভাবে এর থেকে মুক্তি পাওয়া কিভাবে সম্ভব তা এখনো পর্যন্ত আমাদের অজানা, তবুও সঠিক সময়ে রোগ নির্ধারণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যাদের ভূমিকা তাহলো পিতা মাতা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গেছে এই সমস্ত শিশু যারা অটিজম দ্বারা প্রভাবিত তারা খুব প্রতিভাশালী হন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই বিষয় নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি সহ বহু কাজ করছেন।
ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস কলকাতার চেয়ারম্যান ডাক্তার আর পি সেনগুপ্ত বলেন, এটিকে রোগ বললে ভুল ব্যাখ্যা হবে। সমাজকে এই বিষয় নিয়ে সচেতন করতে হবে। যাতে তারা এই ধরনের মানুষদের পাশে এসে দাঁড়ান।
ডাক্তার প্রভিন কুমার বলেন, গত কুড়ি থেকে ত্রিশ বছর ধরে অটিজমের সমস্যা অনেক বেড়ে গেছে। শিশুদের ক্ষেত্রে দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে এই সমস্যা ধরা পড়লে সঠিক সময়ে সঠিকভাবে তার চিকিত্সা করা যায়। তার জন্য খুব তাড়াতাড়ি এই রোগের লক্ষণ এবং রোগ নির্ধারণ করা দরকার।
এই সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার দেবাশীষ কোনার, ডাক্তার হৃষিকেশ কুমার, ডাক্তার ভিবুকল্যাণী দাস প্রমুখ।
