ডিজিটাল: এশিয়া মহাদেশে বিশেষত নানা জায়গার জলজমিতে থানকুনি পাতার গাছ জমে থাকে। এই গাছের বৈজ্ঞানিক নাম হল সেন্টেলিয়া আসিয়াটিকা যা একটি শাক অথবা ঔষধি দুই রূপেই ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
প্রতিদিন বেশ খানিকটা করে থানকুনি পাতার রস পান করলে মস্তিষ্কের নানারকম বিকাশ ঘটে যার ফলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা সচল ভাবে চলতে থাকে।
এর সাহায্যে থানকুনি পাতার বিভিন্ন উপাদান নিয়ে এমন কিছু ওষুধ তৈরী করা যায় যা মানুষের স্মৃতি শক্তি ও শেখার ক্ষমতাকেও দারুণ ভাবে উন্নত করে। বুদ্ধির বিকাশ ঘটাতেও এই থানকুনি পাতা দারুণ উপকারী।
এছাড়া এর মধ্যে আছে ফলিক এসিডের তুলোনায় আরো বেশি শক্তিশালী উপাদান। থানকুনি পাতা এন্টি অক্সিডেন্ট উৎপাদন করতে সাহায্য করে।
এর ফলে শরীরে অক্সিডেন্টের মাত্রা কমে ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ হয়।
এর ফলে বুদ্ধি ও স্মৃতিশক্তি দীর্ঘায়ু হয় এবং এমন কিছু অপ্ৰয়োজনীয় উপাদান যা স্মৃতি বিন্যাস করে সেই রেডিক্যালগুলি নষ্ট করে দেয়।
এই ঔষধি পাতা মস্তিষ্কের স্নায়ু বিকাশ করে মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিসফাংকশন ও অন্যান্য স্নায়ু বিনাশকারী সমস্যাকে রোধ করে যার ফলে আলজাইমার ও ডিমেনশিয়া রোধ করা যায়।
তথ্য: stylecraze
