ডিজিটাল; ২১ জুন : আসাম ৩৬-তম রাজ্য হিসেবে এক দেশ এক রেশন কার্ড ব্যবস্থা রূপায়ণ করেছে। এরফলে দেশের ৩৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সাফল্যের সঙ্গে এই ব্যবস্থা রূপায়িত হল। পক্ষান্তরে সারা দেশে খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টিও সুনিশ্চিত হচ্ছে। কোভিড-১৯ মহামারীর দরুন গত দু-বছরে জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে ভর্তুকি মূল্যে সুফলভোগীদের কাছে খাদ্যশস্য পৌঁছে দিতে এক দেশ এক রেশন কার্ড ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। নিজ রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাওয়া মানুষ এরফলে বিশেষভাবে লাভবান হয়েছেন। দেশে নাগরিক-কেন্দ্রিক এ ধরণের ব্যবস্থায় আওতায় ৮০ কোটির বেশি সুফলভোগী এসেছেন। ২০১৯-এর আগস্টে এই ব্যবস্থার সূচনা হয়।
এক দেশ এক রেশন কার্ড ব্যবস্থার উদ্দেশ্য হল জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের সমস্ত সুফলভোগীর ক্ষমতায়ন ঘটিয়ে খাদ্য নিরাপত্তার দিক থেকে আত্মনির্ভর করে তোলা। এই ব্যবস্থায় এক জায়গায় রেশন কার্ড নিয়ে অন্যকোন জায়গার ন্যায্য মূল্যের দোকান থেকেও সহজেই ভর্তুকিপ্রাপ্ত খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। ২০১৯এর আগস্টে এই ব্যবস্থা শুরু হওয়ার সময় থেকে জাতীয় সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে ৪৩ কোটি ৬০ লক্ষ এবং প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনায় লেনদেনের মাধ্যমে ২৭.৮০ লক্ষ মিলিয়ে মোট ৭১ কোটি বহনযোগ্য লেনদেন হয়েছে। এই খাতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, কোভিডের সময় অর্থাৎ ২০২০র এপ্রিল থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় খাদ্যশস্য বন্টনের ৬৪ কোটি বহনযোগ্য লেনদেন হয়েছে এবং ভর্তুকির পরিমাণ প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা। এমনকি বর্তমানে এক দেশ এক রেশন কার্ড ব্যবস্থায় খাদ্যশস্য বন্টনের মাসিক গড় লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি। ইতিমধ্যেই এক দেশ এক রেশন কার্ড ব্যবস্থার সুবিধা গ্রহণে ‘মেরা রেশন’ মোবাইল অ্যাপ চালু হয়েছে। ১৩টি ভাষায় এই অ্যাপ-এর মাধ্যমে সুফলভোগীদের প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই গুগল প্লে-স্টোর থেকে ২০ লক্ষের বেশিবার এই অ্যাপ ডাউনলোড করা হয়েছে।
তথ্য: পি আই বি
