ডিজিটাল: বিভিন্ন দেশী ফলের মধ্যে পেয়ারা অন্যতম জনপ্রিয় একটি ফল। পেয়ারা(বৈজ্ঞানিক নাম:-Psidium guajava ) সাধারণত “গরিবের আপেল” নামে খ্যাত। শুধু ফল হিসেবে নয়, পেয়ারা পাতারও রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ।
পেয়ারা আমরা শুধু যে ফল হিসেবে খাই তা কিন্তু নয়, পরিপক্ক পেয়ারা থেকে বানানো যায় জেলি,জ্যাম,স্যালাড, পুডিং ইত্যাদি।পেয়ারা তার স্বাদের জন্যেও যেমন সেরা তেমনই পুষ্টিমানের বিবেচনার দিক থেকেও ভীষণ উপকারী। পেয়ারা ক্যারোটিনয়েডস, এনার্জি বা ক্যালোরি,ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, ফাইবার বা তন্তু প্রভৃতিতে সমৃদ্ধ।
পেয়ারার উপকারিতা:-
১) পেয়ারাতে প্রচুর ভিটামিন সি ( প্রতি ১০০ গ্ৰামে ২১২ মি.গ্ৰা.) এটি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
২) পেয়ারাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (লাইকোপিন,কোয়ারসেটিন) থাকায় শরীরের ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি রোধে সহায়তা করে। এছাড়াও প্রস্টেট ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়তা করে।
৩) পেয়ারায় উপস্থিত ফাইবার টাইপ-২-ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।
৪) পেয়ারার মধ্যে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। লাইকোপিনসমৃদ্ধ লাল পেয়ারা কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকিও কমিয়ে আনতে সক্ষম।
৫) বিভিন্ন ঠান্ডাজনিত সমস্যা ( ব্রংকাইটিস) সারিয়ে তুলতে সক্ষম।
৬) কাঁচা পেয়ারার মধ্যে উপস্থিত ভিটামিন এ চোখের কর্নিয়াকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।
৭) পেয়ারা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস নামক খনিজ লবণে ভরপুর হওয়ায় মানবদেহের গঠন ও বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৮) পেয়ারা স্ট্রেস দূর করতে,পেশি ও স্নায়ুর কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
৯) যেকোনো ধরনের ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ অথবা পেটের গোলমাল (আমাশয়, কোষ্ঠকাঠিন্য) হয়ে থাকলে পেয়ারার রস সবচেয়ে কার্যকরী।
