ডিজিটাল; ১৬ অক্টোবর: ১৪ অক্টোবর ১৫৮ ব্যাটালিয়নের সীমা চৌকি জয়ন্তীপুরের জওয়ানরা জোরালো সংবাদের ভিত্তিতে কাজ করে ১৫০ বোতল ফেনসিডিল সহ ১ বাংলাদেশী পাচারকারীকে আটক করেছে। জোয়ানরা চোরাকারবারিদের গতিবিধি দেখে এলাকায় আম্বুশ স্থাপন করে এবং এক চোরাকারবারীকে আটক করে, যে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেনসিডিল পাচার করার চেষ্টা করছিল। গ্রেফতারকৃত চোরাকারবারীর নাম আলামিন মোল্লা, বাংলাদেশ। জব্দকৃত ফেনসিডিলের আনুমানিক মূল্য ৩০,৭৯৬/- টাকা।
জিজ্ঞাসাবাদে চোরাকারবারি স্বীকার করেছে সে বহু বছর ধরে এ ধরনের চোরাচালানের সাথে জড়িত। সে এই ফেনসিডিল অংরেল, শিশুতলার বাসিন্দা সাহেবের কাছ থেকে নিয়েছিল এবং বাংলাদেশে সন্তু তায়েব নামে এক চোরাকারবারীর কাছে হস্তান্তর করতে যাচ্ছিল। কিন্তু বিএসএফ জওয়ানদের হাতে ধরা পড়ে যায়।
আরেকটি ঘটনায় ১৪ অক্টোবর ১১২ ব্যাটালিয়নের সীমা চৌকি তারালির জওয়ানরা তাদের এলাকা থেকে ৯৬৪ গ্রাম গাঁজা সহ একজন পাচারকারীকে ধরে, যে একটি রিকশায় করে নিত্যানন্দ কাঠি থেকে তারালী গ্রামের দিকে যাচ্ছিল। রিকশাটিকে থামিয়ে তল্লাশি করলে তা থেকে গোলাপি কাপড়ে ঢাকা ৯৬৪ গ্রাম গাঁজা বের হয়। পাচারকারীর নাম ইউনুস গাজী, উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা।
জিজ্ঞাসাবাদে পাচারকারী জানায়, সে বাল্টি বাজারের ফারুক গাজীর কাছ থেকে এই গাঁজা নিয়ে তারালী গ্রামের রাহুল নামে এক পাচারকারীর কাছে হস্তান্তর করতে যাচ্ছিল। এই কাজের জন্য সে ২০০ টাকা পেত।
১৪ অক্টোবর আরেকটি ঘটনায়, ১৫৩ ব্যাটালিয়নের সীমা চৌকি ডোবিলার কর্মীরা তাদের দায়িত্বের এলাকা থেকে ১২ কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত করেছে। চোরাকারবারীরা সেগুলো ভারত থেকে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।
গ্রেফতার চোরাকারবারী ও জব্দকৃত মালামালকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যথাক্রমে থানা গাইঘাটা, স্বরূপনগর ও কাস্টম অফিস তেঁতুলিয়া হস্তান্তর করা হয়েছে।
সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের মুখপাত্র বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাচালান ঠেকাতে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। যার কারণে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতরা চরম বিপাকে পড়ছে। ওই কর্মকর্তা কঠোর ভাষায় বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী কোনো অবস্থাতেই চোরাচালান হতে দেবে না।
