ওয়েব ডেস্ক; মেঘা ঘোষ: “ডাবের জল অর্থাৎ Coconut Water ” – যুগ যুগ ধরে ডাবের জল, প্রাচ্যের পরশমণি, একটি জনপ্রিয় প্রাকৃতিক পানীয়। বহু দেশে এর জনপ্রিয়তা রয়েছে, যেমন কোস্টারিকা, ডমিনিকান রিপাবলিক, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলংকা, ফিলিপিনস, ব্রাজিল, ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, মেক্সিকো এবং এমন কি ভারতবর্ষও।

নারকেল আরোকেসিয়াই পরিবারের অন্তর্গত, এবং এর 4000 প্রজাতি রয়েছে। ডাবের জলের স্বাদ নির্ভর করে যে মাটিতে গাছটি চাষ করা হয় তার গুণমানের উপরে। যদি সমুদ্রতীরবর্তী হয়, তাহলে এর গন্ধ হালকা নোনতা হতে পারে।

ডাবের জলে প্রতি ১০০ গ্রামে ১৬.৭ ক্যালোরি তথা ৭০ কিলো জুল খাদ্যশক্তি রয়েছে।

ডাবের জলে সাইটোকাইনিন হরমোন থাকে।
এবং ডাবের জলে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি, রিবোফ্লেভিন ও কার্বোহাইড্রেট থাকে।

ডাবের জলে (Coconut Water) রয়েছে টক্সিন (Toxnic) দূর করার ক্ষমতা। তবে ডাবের জল খাওয়ার সঠিক সময় কী তা নিয়ে সর্বদা একটি দ্বিধা থাকে। কেউ বলে সকালে ডাবের জল পান করা সর্বোত্তম সময়, আবার কেউ কেউ মনে করেন সন্ধ্যার সময় এটির জন্য উপযুক্ত।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে ডাবের জল পান করা সবচেয়ে উপকারী। এতে সারাদিন আপনার শরীর সতেজ থাকবে।

সকালে ভাবের জল খাবার উপকারিতাঃ

১. থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে ডাবের জল খুবই উপকারী। সকালে ডাবের জল খেলে থাইরয়েড হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

২. কিডনি সুস্থ রাখতে ডাবের জল খাওয়া ভাল। এটি ইউরিনারি ট্র্যাক পরিষ্কার রাখতে সহায়ক এবং একই সঙ্গে কিডনিতে পাথর বাড়তে দেয় না।

৩. নিয়মিত ডাবের জল খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। যার কারণে অনেক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

৪. যদি আপনি ওজন কমানোর জন্য চিন্তিত থাকেন, তাহলে নারকেল জল পান করা আপনার জন্য খুবই উপকারী হবে। এতে খুব কম পরিমাণে ক্যালোরি এবং অল্পই চর্বি থাকে। ডাবের জল পান করার পরে, দীর্ঘক্ষণ খিদেও লাগে না, যে কারণে সময়ে সময়ে খাওয়ার প্রয়োজন হয় না।

৫. ডাবের জল পান করা ত্বকের পুষ্টির জন্যও উপকারী। ত্বকের আর্দ্রতাও বজায় থাকে।ডাবের জলের মধ্যে ভিটামিন সি, বি, কে, জিঙ্ক, আয়োডিন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে। এই উপাদানগুলো ত্বকের বার্ধক্য প্রতিরোধ বিশেষ ভাবে সাহায্য করে। নিয়মিত ত্বকের উপর ডাবের জল ব্যবহার করলে মুখে বয়সের ছাপ পড়ে না এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়তে থাকে।