ওয়েব ডেস্ক; ১ সেপ্টেম্বর: গত ৩০ আগস্ট, দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের অধীন ৩২ ব্যাটালিয়নের আইসিপি গেদের জওয়ানরা গেদে রেলওয়ে স্টেশনে কলকাতা থেকে বাংলাদেশের ঢাকাগামী মৈত্রী এক্সপ্রেসের যাত্রীদের রক্ষা সূত্র বেঁধে মিষ্টি বিতরণ করেছে।

সীমান্তরক্ষীরা বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্য স্বহস্তে তৈরি কাঠ ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব রাখি তৈরি করেছে। অঙ্কুর প্লে স্কুলের শিশুরা রক্ষাবন্ধনের বার্তা দিয়ে ব্যানার তৈরি করেছে। ট্রেনটি স্টেশনে থামলে জওয়ানরা ইঞ্জিনসহ সব কোচে রক্ষাবন্ধনের বার্তা সম্বলিত ব্যানার সাঁটিয়ে দেয়। এর পরে, সীমান্তরক্ষীরা ট্রেনে ভ্রমণকারী সকল যাত্রীদের হাতে রাখী বেঁধে দেয়, যাতে “আমাদের বন্ধন বাড়ুক, বাংলাদেশের ভাই-বোনদের শুভ রক্ষা বন্ধন” লেখা ছিল।

ট্রেনে যাতায়াতকারী যাত্রীরা জানান, এই অনুষ্ঠানটি তাদের জন্য খুবই অবিস্মরণীয়, আনন্দদায়ক এবং সুখদায়ক। বাংলাদেশী মহিলা যাত্রীরাও সীমান্তরক্ষী এবং আরপিএফ কর্মীদের রাখি বেঁধেছেন। এই কর্মসূচির পর ট্রেনটি বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হলে অনেক মহিলা যাত্রীর চোখ ভিজে ওঠে।

কৃষ্ণনগর বাজারে বিএসএফ জওয়ানদের রাখি বেঁধেছে ছাত্রীরা।

এখানে, সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর আঞ্চলিক সদর দফতর কৃষ্ণনগরের জওয়ানরা কৃষ্ণনগর প্রধান বাজারের পোস্ট অফিস চত্বরে বিসপ মোর স্কুলের প্রায় ৪০ জন ছাত্রীকে রাখি বেঁধেছে। এ উপলক্ষে ছাত্রী ও সীমান্তরক্ষীদের মুখে ছিল অপরিসীম আনন্দ।

এ কে আর্য, ডিআইজি, জনসংযোগ আধিকারিক, বিএসএফ সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার বলেছেন যে দেশের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকা সত্ত্বেও, সীমান্তরক্ষীরা সাধারণ নাগরিকদের সাথে খুব আড়ম্বর সহকারে সমস্ত উত্সব উদযাপন করে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অনুষ্ঠান বিএসএফ ও সাধারণ নাগরিকদের হৃদয়ে শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়ায়।