ওয়েব ডেস্ক; ২৪ ফেব্রুয়ারি: পিএমএসএসওয়াই-তে এপর্যন্ত ২২টি নতুন এইমস স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ১৫টি অনুমোদন পেয়েছে ২০১৪-র পরে। এর মধ্যে আছে (১) গোরখপুর (উত্তরপ্রদেশ), (২) নাগপুর (মহারাষ্ট্র), (৩) কল্যাণী (পশ্চিমবঙ্গ), (৪) মঙ্গলগিরি (অন্ধ্রপ্রদেশ), (৫) বিবিনগর (তেলেঙ্গানা), (৬) ভাতিন্ডা (পাঞ্জাব), (৭) দেওঘর (ঝাড়খণ্ড), (৮) বিলাসপুর (হিমাচল প্রদেশ), (৯) রাজকোট (গুজরাট), (১০) গুয়াহাটি (আসাম), (১১) বিজয়পুর (জম্মু), (১২) মাদুরাই (তামিলনাড়ু), (১৩) অবন্তিপোরা (জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল), (১৪) রেওয়াড়ি (হরিয়ানা) এবং (১৫) দ্বারভাঙা (বিহার)।
২০১৪-র আগে যে ৭টি এইমস-এর অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল সেগুলি হল – (১) ভোপাল (মধ্যপ্রদেশ), (২) ভুবনেশ্বর (ওড়িশা), (৩) যোধপুর (রাজস্থান), (৪) পাটনা (বিহার), (৫) রায়পুর (ছত্তিশগড়), (৬) ঋষিকেশ (উত্তরাখণ্ড) এবং (৭) রায়বরেলি (উত্তরপ্রদেশ)।
এইমস কল্যাণী
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২০১৫-র অক্টোবরে পিএমএসএসওয়াই-এর অধীনে পশ্চিমবঙ্গের কল্যাণীতে ১৭৫৪ কোটি টাকা খরচে এইমস স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এই প্রকল্পের জন্য রূপায়ণকারী সংস্থা হিসেবে মেসার্স এইচএসসিসি-কে নিয়োগ করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০১৫-র ডিসেম্বরে কল্যাণীতে ১৭৯.৮২ একর জমি হস্তান্তর করে। নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।
এইমস কল্যাণীর সুযোগ সুবিধা
এইমস কল্যাণীতে যেসব সুযোগ সুবিধা আছে, সেগুলি হল ৯৬০টি শয্যা সহ হাসপাতাল, ১২৫ আসনের মেডিকেল কলেজ, ৬০ আসনের নার্সিং কলেজ, ৩০ শয্যার আয়ুষ ব্লক, অধ্যাপক এবং কর্মীদের জন্য আবাসন, স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ছাত্রাবাস, নৈশকালীন আশ্রয়স্থল, অতিথিনিবাস, প্রেক্ষাগৃহ ইত্যাদি। এই প্রতিষ্ঠানে অত্যাধুনিক আইসিইউ, ২৩টি মডিউলার অপারেশন থিয়েটার, ১টি ব্লাড ব্যাঙ্ক এবং উন্নত ডায়াগনস্টিক্স আছে।
শিক্ষা সম্বন্ধীয় কার্যাবলী :
এইমস কল্যাণীতে এমবিবিএস পাঠক্রম শুরু হয় ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে। এপর্যন্ত ৫৪৯ জন ছাত্র-ছাত্রী নথিভুক্ত হয়েছে। ১৫টি বিভাগে স্নাতকোত্তর এমডি পাঠ্যক্রম চালু হয়েছে। বর্তমানে ১৩৫ জন শিক্ষক চিকিৎসক, ৫৫১ জন নার্সিং অফিসার, ৭২ জন সিনিয়র আবাসিক এবং ১৬৬ জন জুনিয়র আবাসিক আছে। এই প্রতিষ্ঠানে বিএসসি নার্সিং পাঠক্রম এবং কয়েকটি প্যারা মেডিক্যাল পাঠক্রম চালু আছে। এপর্যন্ত প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত হয়েছে ৪৪০টি পাঠ্য। গবেষণার জন্য ১০ কোটি টাকার বেশি অনুমোদন করা হয়েছে ১৬টি প্রকল্পের জন্য।
হাসপাতাল পরিষেবা
এই প্রতিষ্ঠানে ২৭.০১.২০২১ থেকে বহির্বিভাগ চালু হয়েছে। বর্তমানে একাধিক সুপারস্পেশালিটি এবং স্পেশালিটি সহ ৩০টি বিভাগ কাজ করছে। বহির্বিভাগে প্রতিদিন আনুমানিক ১৮০০ থেকে ২০০০ রোগী আসেন। ২৫.১২.২১ থেকে সীমিত আইপিডি পরিষেবা চালু হয়েছে। বর্তমানে ৩৬০টি আইপিডি শয্যা আছে। ২৪x৭ ঘণ্টাই খোলা থাকে একটি অমৃত ফার্মেসি। ই সঞ্জীবনী টেলিমেডিসিন পরিষেবা শুরু হয়েছে ০১.০৯.২০২০ থেকে এবং এপর্যন্ত ৮১২৬ জন রোগীকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
