ওয়েব ডেস্ক; ৩ জানুয়ারি : পাইকারি মূল্য সূচকের ২০১১-১২-র ভিত্তি অনুযায়ী বর্তমান ক্রমকে ২০২২-২৩-এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করে তুলতে ভিত্তি মানের পুনর্বিন্যাসের জন্য ভারত সরকার একটি কর্মীগোষ্ঠী গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই কর্মীগোষ্ঠীর চেয়ারম্যান হবেন নীতি আয়োগের সদস্য অধ্যাপক রমেশ চন্দ। এছাড়াও, অন্য আরও ১৭ জন সদস্য এতে থাকছেন।

পরিসংখ্যান ও পিআই মন্ত্রক থেকে থাকছেন চার জন। এদের মধ্যে একজন অতিরিক্ত মহানির্দেশক পদমর্যাদার ও তিন জন উপমহানির্দেশক পদমর্যাদার। অন্য সদস্যদের মধ্যে থাকছেন অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত দপ্তরের আর্থিক পরামর্শদাতা, কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রক থেকে একজন, ক্রেতা বিষয়ক দপ্তরের বরিষ্ঠ আর্থিক পরামর্শদাতা, পেট্রোল ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের উপমহানির্দেশক, পণ্য ও পরিষেবা কর নেটওয়ার্কের সিইও, আরবিআই-এর একজন প্রতিনিধি, এসবিআই গোষ্ঠির প্রধান অর্থনীতিবিদ ডঃ সৌম্য কান্তি ঘোষ। অর্থনীতিবিদ ডঃ সুরজিত ভাল্লা, প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক পরামর্শ পরিষদের সদস্য ডঃ শমিকা রবি, ক্রাইসিলের প্রধান অর্থনীতিবিদ ডঃ ধর্মকীর্তি যোশী, কোটাক মাহিন্দ্রা অ্যাসেস ম্যানেজমেন্টের এমডি শ্রী নীলেশ শাহ এবং ব্যাঙ্ক অফ আমেরিকা মেরিল লিঞ্চের সহ-প্রধান ও অর্থনীতিবিদ শ্রী ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত কর্মীগোষ্ঠীতে থাকছেন নন-অফিসিয়াল পদমর্যাদার।

কর্মীগোষ্ঠীর অন্য এক সদস্য হচ্ছেন ডিপিআই আইআইটি-র উপমহানির্দেশক।

কর্মীগোষ্ঠীর জন্য ছয় দফা শর্তাবলী থাকছে। অর্থনীতি ক্ষেত্রে কাঠামোগত পরিবর্তনের দিকে তাকিয়ে ২০২২-২৩ ভিত্তি বছরের নিরিখে ডব্লুপিআই এবং পিপিআই-এর পরিষেবা ক্ষেত্র নির্ধারণ। মূল্য সংগ্রহ ক্ষেত্রে বর্তমান ব্যবস্থার পর্যালোচনা করে উন্নততর ব্যবস্থার প্রস্তাব করা।

ডব্লুপিআই / পিপিআই-এর জন্য গণনা পদ্ধতি নির্ণয় করা। পরিসংখ্যানগত এবং জীবনধারণের মূল্য নির্ণয়ের ভিত্তিতে কারিগরি পরামর্শদাতা কমিটি অনুমোদিত পিপিআই-এর গণনা পদ্ধতির পরীক্ষা করে দেখে উন্নত নক্সা তৈরিতে গণনা ব্যবস্থার প্রস্তাব করা, ডব্লুপিআই / পিপিআই-এর ওপরে নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে অন্য কোন নির্ভরযোগ্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাব করা।

কর্মীগোষ্ঠীর চেয়ারম্যান প্রয়োজন ভিত্তিতে কোন বিশেষজ্ঞ বা অন্য কোন সংস্থার প্রতিনিধিকেও এই কাজে নিযুক্ত করতে পারেন।

এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১৮ মাসের মধ্যে কর্মীগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক পরামর্শদাতা দপ্তরে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।