ওয়েব ডেস্ক; ১৪ জানুয়ারি: কাঁচা পাটের অবৈধ মজুতদারি ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ হিসেবে পাট কমিশনারের দপ্তর পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় ধারাবাহিক তল্লাশি অভিযান সফলভাবে পরিচালনা করেছে। পাট ও পাটবস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নির্দেশ, ২০১৬-র ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে বিধিসম্মত মজুত সীমা লঙ্ঘন করে জমানো প্রায় ১০,০০০ কুইন্টাল কাঁচা পাট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
বাজারে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানোর উদ্দেশ্যে কিছু ব্যবসায়ী, বেলার এবং মজুতদারের বিরুদ্ধে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই তল্লাশি অভিযান পরিচালিত হয়।
পাট ও পাটবস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নির্দেশ, ২০১৬-র ৯ নং ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা ব্যবহার করে পাট কমিশনারের দপ্তরের অনুমোদিত আধিকারিকরা মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলায় বিভিন্ন গোদাম ও অন্যান্য সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন। মোট ১৬-টি গুদাম থেকে বাজেয়াপ্ত করা কাঁচা পাটের পরিমাণ কলগুলির জন্য ন্যায্য সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং হাজার হাজার মিল শ্রমিকের জীবিকা রক্ষার উদ্দেশ্যে পাট কমিশনারের নির্ধারিত সর্বোচ্চ মজুত সীমা উল্লেখযোগ্যভাবে অতিক্রম করেছে।
মজুতদারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা-
কাঁচা পাট অবৈধভাবে মজুতকারী সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে পাট কমিশনার কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন-
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এনফোর্সমেন্ট শাখায় অভিযোগ: অপরাধীদের বিরুদ্ধে অত্যাবশ্যক পণ্য আইন, ১৯৫৫-র ধারা ৭ অনুযায়ী মামলা চালানোর জন্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এনফোর্সমেন্ট শাখায় অভিযোগ পাঠানো হচ্ছে।
বাজেয়াপ্তের প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকদের কাছে পাঠানো হচ্ছে। অত্যাবশ্যক পণ্য আইন, ১৯৫৫ অনুযায়ী জারি করা আদেশ লঙ্ঘন করে মজুত রাখা পণ্য বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা তাঁদের রয়েছে।
বৃহৎ উদ্ধার অভিযানের জন্য পাট কমিশনারের অনুমোদন-
পাট ও পাটবস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নির্দেশ, ২০১৬-র ধারা ১২ অনুযায়ী পাট কমিশনার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এনফোর্সমেন্ট শাখা এবং কলকাতা পুলিশের আধিকারিকদের কাঁচা পাটের অবৈধ মজুতকারীদের বিরুদ্ধে তল্লাশি ও বাজেয়াপ্ত অভিযান পরিচালনার জন্য অনুমোদন প্রদান করেছেন।
