ওয়েব ডেস্ক; ৩১ জানুয়ারি : শিক্ষা ক্ষেত্রে বিদ্যালয়, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুণগতমানের প্রসারে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের কথা আর্থিক সমীক্ষা ২০২৫-২৬ এ বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে কার্যকরি মূল্যায়ন, বিশ্বাসযোগ্যতা, শিক্ষার সঙ্গে দক্ষতা বিকাশের সামঞ্জস্য গড়ে তোলার উপর আলোকপাত করা হয়েছে। সাক্ষরতার হার প্রসারে শিক্ষার পরিসর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিদ্যালয় ও উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে, বৃত্তিমূলক শিক্ষার পরিসর বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯ এবং জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ গুণগত শিক্ষাকে সার্বজনীন করে তুলতে শিক্ষার সুযোগ বিস্তারের কথা বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে, উদ্ভাবনমূলক শিক্ষাকে এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। বিদ্যালয় পরিকাঠামো এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বিকাশে ভারত উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। এক্ষেত্রে পোষণ শক্তি নির্মাণ এবং সমগ্র শিক্ষা অভিযানের মতো প্রকল্প সুযোগ ও সমতার সম্প্রসারণ ঘটাচ্ছে।
বিদ্যালয়ের সঙ্গে দক্ষতা বিকাশকে যুক্ত করার উপর আলোকপাত করা হয়েছে। শিক্ষাকে আরও বেশি প্রাসঙ্গিক করে তুলতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে হাব হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি, শিক্ষালাভের মধ্য দিয়ে দক্ষতার সম্প্রসারণ ঘটিয়ে কর্মক্ষেত্রের উপযোগী যাতে করে তোলা যায়, সেদিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার সঙ্গে আর্থিক সুযোগকে যুক্ত করায় স্কুল ছুটের সংখ্যা কমেছে।
কারিগরি শিক্ষাকে উন্নত গুণমানসম্পন্ন করে তুলতে মাল্টিডিসিপ্লিনারি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ ইমপ্রুভমেন্ট ইন টেকনিক্যাল এডুকেশন প্রকল্প সম্প্রতি অনুমোদন করা হয়েছে। ১৭৫টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ১০০টি পলিটেকনিককে নিয়ে ২৭৫টি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের জন্য এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
শিল্প ক্ষেত্রকে শিক্ষা ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করতে এনইপি বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রশিক্ষণের উপর জোর দিয়েছে। এতে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে যৌথ গবেষণা প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রভৃতি প্রসারলাভ করবে।
