ওয়েব ডেস্ক; ১ সেপ্টেম্বর: রপ্তানিকারকদের জন্য ‘বাণিজ্য সরলীকরণ’ -এর লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত ধারাবাহিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে, ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড তাদের পোর্টালে ‘ফ্রি সেল অ্যান্ড কমার্স সার্টিফিকেট’ বা ‘মুক্ত বিক্রয় ও বাণিজ্য শংসাপত্র’ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইস্যু করার ব্যবস্থা চালু করেছে। ‘ফরেন ট্রেড পলিসি’ বা বৈদেশিক বাণিজ্য নীতির আওতায়, ‘ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস অ্যাক্ট, ১৯৪০’-এর আওতাভুক্ত নয়, এমন পণ্যের জন্য রপ্তানিকারকদের এই শংসাপত্র প্রদান করা হয়। বর্তমানে, যাচাই-বাছাই ও পরীক্ষার পর ডিজিএফটি-এর আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ এই শংসাপত্রগুলি ইস্যু করে থাকে।
এখন থেকে যোগ্য আবেদনগুলো ম্যানুয়াল বা কায়িক যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে না গিয়েই প্রচলিত কাঠামোর আওতায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইস্যু করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। এই স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ফলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক এফএসসি আবেদনের প্রক্রিয়াকরণের সময় কমবে এবং আগের ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কমপ্লায়েন্স বা নিয়ম-কানুন পালনের বোঝা লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যেসব আবেদনের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই প্রয়োজন বা যেগুলো স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়াকরণের মানদণ্ড পূরণ করে না, সেগুলো ম্যানুয়াল প্রক্রিয়াকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো অব্যাহত থাকতে পারে।
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদিত কিছু আবেদন পরবর্তীতে সিস্টেমের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা মানদণ্ডের আওতায় পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হতে পারে।
এই পদক্ষেপের ফলে অপ্রয়োজনীয় ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপ কমবে, প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে পূর্বাভাসের নিশ্চয়তা বাড়বে এবং যোগ্য রপ্তানিকারকদের জন্য দ্রুত এফএসসি ইস্যু করা সহজ হবে। পাশাপাশি যাচাই-বাছাই প্রয়োজন এমন আবেদনের ক্ষেত্রে যথাযথ পরীক্ষা ও তদারকি ব্যবস্থা বজায় থাকবে। স্বয়ংক্রিয় ও নিয়ম-ভিত্তিক প্রক্রিয়াকরণ জোরদার এবং ঝুঁকি-ভিত্তিক পর্যালোচনা পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে, এই উদ্যোগটি রপ্তানিকারক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য ‘ফ্রি সেল অ্যান্ড কমার্স সার্টিফিকেট’ ইস্যু করার প্রক্রিয়াকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও সুনিশ্চিত করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র : পি আই বি
