শুভাবরি ওয়েব ডেস্ক,১ সেপ্টেম্বর, কলকাতা:
“বাংলার মাটি বহুদিন ধরেই আমার আধ্যাত্মিক সাধনার ভূমি, আর এখন বসুধা কল্যাণ আশ্রম পরিবারের বিভিন্ন সেবামূলক কাজের মাধ্যমে তা আমার কর্মভূমি হয়ে উঠছে।” রাখী বন্ধনের পুণ্য তিথিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল বসুধা কল্যাণ আশ্রম পরিবার। আর এই মঞ্চ থেকে একথা জানালেন, আচার্য পাবন মহারাজ। তিনি আরো বলেন, “কল্যাণ ভারতী’ ভারতীয় শিল্প, সঙ্গীত, সাহিত্য, নৃত্য ও লোক-ঐতিহ্যের সংরক্ষণ ও প্রসারে কাজ করবে এবং বঞ্চিত প্রতিভাবান শিল্পীদের জন্য একটি মঞ্চ তৈরি করবে।
এদিন একই মঞ্চ থেকে ঘোষণা করা হল সংগঠনের জাতীয় শিল্প ও সংস্কৃতি শাখা ‘কল্যাণ ভারতী’র আত্মপ্রকাশের কথা। সরস্বতী বন্দনার পর দেবী সরস্বতীর মূর্তি দিয়ে সম্মানিত করা হয় শিল্পী পালকে। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কল্যাণ ভারতী’র দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। শিল্পী পালকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে — পশ্চিমবঙ্গে বসুধা কল্যাণ আশ্রম পরিবারের সভাপতি এবং ‘কল্যাণ ভারতী’র জাতীয় সভাপতি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আচার্য পাবন মহারাজ, গুরু মা মনোরমা জী এবং সাধিকা সংহিতা দি। এছাড়াও বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পী পাল, সাংবাদিক শুভ্রাংশু ঘোষ, সাংবাদিক সত্যজিৎ রায়, দেবেশ্বর কুমার, তরুণ মিত্র, রমেশ কুমার, বিকাশ সিনহা, সঞ্জয় মহেশ, দেবাশীষ পাইন এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় রায়।
