ওয়েব ডেস্ক; ১০ মার্চ : সংস্কৃতি মন্ত্রকের গ্লোবাল এনগেজমেন্ট কর্মসূচির অধীনে আন্তর্জাতিক স্তরে দুর্গাপুজোর প্রসারে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিকে অনুদান দেওয়া হয়েছে।
২০২৩-এ মন্ত্রক ২২ লক্ষ ২৯ হাজার ২৪৪ টাকা বরাদ্দ করেছিল ইউনেস্কোর কাছে আবহমান সাংস্কৃতিক মনোনয়ন পেশের জন্য গবেষণা এবং নথি তৈরির কাজে।
২০২৫-এর সেপ্টেম্বরে সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি টোকিওর ভারতীয় বাঙালি সম্প্রদায়ের অ্যাসোসিয়েশন ইপ্পন সাদান হুজিন ইন্দোজিনো সুদোই-এর সঙ্গে দুর্গাপুজো উৎসবের একটি ভিডিও ভাগ করে নিয়েছিল। এই প্রতিষ্ঠানটি উৎসবটির দিকে নজর রাখছিল গভীর ভক্তি এবং সাংস্কৃতিক দিকটি বিচার করে। এছাড়া ২০২৫-এ দিল্লির লালকেল্লায় ৮-১৩ ডিসেম্বর আয়োজিত আন্তঃসরকারি কমিটির বৈঠকে চিরাচরিত ধুনুচি নাচ প্রদর্শিত হয়েছিল ইউনেস্কো আধিকারিকদের পাশাপাশি ১৯০টির বেশি অংশগ্রহণকারী দেশের প্রতিনিধিদের সামনে।
সরকার তাদের ‘ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া-২’ অভিযানটির বিস্তৃতি ঘটাচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটনের প্রসারে। তাতে বিশেষভাবে আলোকপাত করা হয়েছে দুর্গাপুজোর ওপর যেটি আবহমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেস্কো স্বীকৃত।
নোডাল এজেন্সি সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরি করেছিল, তারাই সব ধরনের সমীক্ষা চালায় এই উৎসবের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন সম্প্রদায়, গোষ্ঠী, ব্যক্তির সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে। সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে পুরো উৎসবটি নথিবদ্ধ করা হয়। এর মধ্যে বিচার্য ছিল ঐতিহাসিক বিবর্তন, শৈল্পিক উৎকর্ষ, আচার প্রথা এবং দুর্গাপুজোর সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট।
লোকসভায় লিখিত জবাবে একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত।
