কলকাতা ; ১২ জুন : রাজ্যে ঘটেছে পালাবদল। এসেছে বিজেপি সরকার। ডবল ইঞ্জিন সরকারকে স্বাগত জানিয়েছে রাজ্যের মানুষ। বিরোধী দলনেতা থেকে বর্তমানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। একে একে শপথ নিয়েছেন মন্ত্রী এবং বিধায়করা। কিন্তু কার ঝুলিতে গেল কোন দপ্তর সেটাই দেখেনি এক নজরে।
শুভেন্দু অধিকারী: মুখ্যমন্ত্রী
একইসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী- স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতর
ভূমি ও ভূমি সংস্কার এবং উদ্বাস্তু ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর
বিদ্যুৎ দপ্তর
তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তর
কর্মী ও প্রশাসনিক
স্বপন দাশগুপ্ত- অর্থ দপ্তর
নিশীথ প্রামাণিক- উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর এবং জলসম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন দপ্তর
অশোক কীর্তনিয়া- খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর এবং সমবায় দপ্তর
দিলীপ ঘোষ- পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দপ্তর এবং কৃষি বিপণন দপ্তর
ক্ষুদিরাম টুডু- উপজাতি উন্নয়ন ও সংখ্যালঘু বিষয়ক এবং মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর
অগ্নিমিত্রা পাল- পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর
দীপক বর্মন- স্কুল শিক্ষা দপ্তর
আবাসন দপ্তর
ক্ষুদ্র,ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ
বস্ত্র দপ্তর
তাপস রায়- শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ দপ্তর, সরকারি উদ্যোগ ও শিল্প পুনর্গঠন দপ্তর, অগতানুগতিক ও নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎস দপ্তর
শঙ্কর ঘোষ- সংসদীয় বিষয়ক দপ্তর, পর্যটন দপ্তর
মনোজ কুমার ওরাওঁ- বন দপ্তর এবং পরিবেশ দপ্তর
অর্জুন সিং- শ্রম দপ্তর এবং পরিবহন দপ্তর
গৌরী শঙ্কর ঘোষ- অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তর এবং গণশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দপ্তর
জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়- উচ্চশিক্ষা দপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন দপ্তর
কল্যাণ চক্রবর্তী- তথ্য প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স দপ্তর; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং জৈব প্রযুক্তি দপ্তর এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উদ্যানপালন দপ্তর
শারদ্বত মুখার্জী- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর
অরূপ কুমার দাস- সেচ ও জলপথ দপ্তর
অজয় কুমার পোদ্দার- জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর এবং পূর্ত দপ্তর (PWD)
দুধ কুমার মণ্ডল- কৃষি দপ্তর
রাষ্ট্রমন্ত্রী – স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত
মালতী রাভা রায়- মহিলা ও শিশু বিকাশ এবং সমাজকল্যাণ দপ্তর; স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি দপ্তর এবং কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ দপ্তর
রাজেশ মাহাত- প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তর এবং মৎস্য চাষ দপ্তর
ইন্দ্রনীল খাঁ- যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তর এবং উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর
প্রতিমন্ত্রী
জোয়েল মুর্মু- উপজাতি উন্নয়ন দপ্তর এবং সেচ ও জলপথ দপ্তর
হরেকৃষ্ণ বেরা- উচ্চশিক্ষা দপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন দপ্তর
আনন্দময় বর্মন- পরিবহন দপ্তর এবং অর্থ দপ্তর
অশোক দিন্দা- কৃষি বিপণন দপ্তর এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ এবং বস্ত্র দপ্তর
নাদিয়ার চাঁদ বাউরী- পূর্ত দপ্তর (PWD) এবং অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তর
বিশাল লামা- স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তর এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর
শান্তনু প্রামাণিক- খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দপ্তর
মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র- শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ দপ্তর এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং জৈব প্রযুক্তি দপ্তর
উমেশ রাই- সংসদীয় বিষয়ক দপ্তর এবং নগর উন্নয়ন ও পুরসভা বিষয়ক দপ্তর
পূর্ণিমা চক্রবর্তী- তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তর এবং পর্যটন দপ্তর
কৌশিক চৌধুরী- স্কুল শিক্ষা দপ্তর এবং দমকল ও জরুরি পরিষেবা দপ্তর
ভাস্কর ভট্টাচার্য- জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর এবং শ্রম দপ্তর
দিবাকর ঘরামী- সমবায় দপ্তর; বন দপ্তর এবং পরিবেশ দপ্তর
অমিয় কিস্কু- খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উদ্যানপালন দপ্তর এবং কৃষি দপ্তর
কলিতা মাজি- আবাসন দপ্তর
গার্গী দাস ঘোষ- বিদ্যুৎ দপ্তর এবং অগতানুগতিক ও নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎস দপ্তর
বিরাজ বিশ্বাস- আইন দপ্তর; বিচার বিভাগীয় (Judicial) দপ্তর এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর
দীপঙ্কর জানা- ভূমি ও ভূমি সংস্কার এবং উদ্বাস্তু ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর এবং সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তর
সুমনা সরকার- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর
