উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ২৮ শে জুন দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের অধীনে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর জওয়ানরা পাচারকারীদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে আনুমানিক ৪,৫০,১৬৮ টাকা মূল্যের ১০.৬ কেজি ওজনের রুপোর গয়না আটক করেছে।এই সমস্ত রুপোর গয়না উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার সীমান্ত চৌকি হাকিমপুর এলাকা হয়ে বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছিল।
ওই দিন বিএসএফ এর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ১১২ ব্যাটেলিয়ন , সেক্টর কোলকাতা,সীমা চৌকি হাকিমপুর, সাথে সাথে বিএসএফের পেট্রোলিং পার্টি এবং তাত্ক্ষণিক পতিক্রিয়া দলকে সতর্ক করে দেয় । সাথে সাথে কোম্পানি কমান্ডার ওই এলাকায় একটি বিশেষ পেট্রোলিং পার্টি মোতায়েন করে দেন । বেলা আনুমানিক সোয়া ১ টার দিকে জওয়ানরা একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে (চোরাচালানকারী) সোনাই নদীর (আন্তর্জাতিক সীমান্ত) দিকে পাচারের উদ্দেশ্যে একটি বড় ব্যাগ (পোটলা) নিয়ে যেতে দেখে , যে পাচারের উদ্দেশ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিলো । সীমান্ত ডিউটিতে থাকা জওয়ানরা তাকে চ্যালেঞ্জ জানালে, চোরাকারবারি নিজেকে বাঁচাতে ব্যাগটি সেখানে ফেলে দিয়ে পালাতে চেষ্টা করে, জওয়ানরা তাকে তাড়া করে তবে পাচারকারী সোনাই নদীতে ঝাঁপ দেয় এবং নদীর গভীরতার সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশের দিকে পালিয়ে যায়। বিএসএফ জওয়ানরা পুরো এলাকা তল্লাশি করলে নদীর পারে একটি ব্যাগ উদ্ধার করে যার ভেতর থেকে ১০.৬ কেজি রুপোর গয়না উদ্ধার করা হয় ।
গহনাগুলি কাস্টম অফিস তেঁতুলিয়ায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
১১২ ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডিং অফিসার শ্রী চন্দ্রশেখর বলেছেন যে চোরাচালানীরা নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করে তাদের এলাকায় পাচার করার চেষ্টা করে এবং খারাপ আবহাওয়ার সুযোগ নিতে চায়। ঘন ও বড় ফসলের সুযোগ নিয়ে চোরাচালানকারীরা পাচারের তাগিদে থাকে । তিনি বলেছেন যে চোরাচালান বন্ধ করতে এবং পাচারের সাথে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দিতে তার এলাকার পুলিশ অফিসার ও অন্যান্য সংস্থার কাছেও সহযোগিতা চেয়েছেন।
