প্রথম পর্ব :

১৯৮৭ সাল থেকে ব্যাংক কর্মচারী সংগঠনের আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত সঞ্জয় দাস । তার এই দীর্ঘ পথ চলা তাকে এনে তুলেছে জাতীয় ক্ষেত্রে। আজ তিনি আইবকের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তার একান্ত সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে ব্যাংক কর্মচারীদের আন্দোলন, জাতীয় নীতি সহ অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য, অজানা কথা।

দীর্ঘ সময় ধরে ‘শুভাবরি’ ব্যাংক অফিসার এবং ব্যাংক কর্মীদের আন্দোলনের সংবাদ পরিবেশন করে আসছে একনিষ্ঠভাবে। আজকের এই সাক্ষাৎকার ‘শুভাবরি’র একান্ত উদ্যোগ এবং সঞ্জয় দাস এর একান্ত সহযোগিতা।

পাঠকদের সুবিধার্থে এবং প্রশাসনিক প্রয়োজনে আমরা একটি, দুটি বা তিনটি অংশে আপনাদের কাছে পরিবেশন করব। সংবাদ লিখন, সাক্ষাৎকার গ্রহণ সম্বন্ধে আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত অবশ্যই আপনারা আমাদের জানাবেন।:

শুভাবরি: ব্যাঙ্কের চাকরি দিয়ে আপনার চাকরি জীবন শুরু, সেটা কত সাল থেকে?

@: আমি প্রবেশনারী অফিসার হিসেবে ১৯৮৭ সালে জয়েন করি।

শুভাবরি: এটা কোন ব্যাংকে?

@: ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, বিহারের গয়াতে।

শুভাবরি: ভারতবর্ষের গণতান্ত্রিক কাঠামো এবং শ্রমিক আন্দোলন পরস্পর যুক্ত হয়ে রয়েছে। সে ক্ষেত্রে শ্রমিক রাজনীতিতে যোগদান কোন সালে আপনার হয়েছিল?

@: ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তার পর ব্যাংকে জয়েন করার পর দেখতে পেলাম ব্যাংক কর্মচারীদের আন্দোলন অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ভাবে সংগঠিত হয় এবং এরা ন্যায্য পাওনার জন্যে লড়ে।

শুভাবরি: লযে সময় আপনি বিহারে চাকরিতে যোগদান করেন সেই সময়ে কংগ্রেস ক্ষমতায় ছিল মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন ভগবত ঝা আজাদ। তারপরে ১৯৮৯ এ আবার ক্ষমতা বদল হয়ে অন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে যায়। সেই সময়ে, সেই অবস্থাতে ব্যাংক কর্মীদের আন্দোলন কতটা জোরদার ছিল?

@: আমি সেই বিহারে থাকাকালীন ১৯৮৮ সাল থেকে সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ি। সেই সময় ব্যাংক কর্মচারী আন্দোলন যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল।
কারণ তখন ব্যাংক কর্মচারীরা নিজেদের আত্মমর্যাদা সম্বন্ধে সচেতন ছিল।

শুভাবরি: সেই সময় ব্যাংক কর্মীদের আন্দোলন যে যেসব ইস্যুর ভিত্তিতে হত, সেই ইস্যুগুলো কতটা পূরণ করতে পেরেছিল সরকার?

@: সেই সময় মূলতঃ বেতন, ওভারটাইম, প্রমোশন এই সব নিয়েই আন্দোলন হতো। কারণ তখনও LPG (Liberalisation, প্রাইভেটাইজেসন গ্লোবালাইজেসন,) আসেনি। তখন যে সরকারই হোক না কেন, তারা শ্রমিক কর্মচারী বিরোধী ছিল না।

চলবে…………..