চন্দন চ্যাটার্জি

নাঙ্গা বাবা প্রথম পর্ব

এবার এক ভক্ত একটু সাহস করে বাবাকে বললেন, বাবা ওনাকে একটু শাস্ত্র আলোচনা শুনতেও দিলেন না? উত্তরে নাঙ্গা বাবা বললেন, “তোমরা বালক, এসবের কিছুই বুঝবে না। ওর স্ত্রীর যক্ষা হয়েছে। আমি তো তার বাঁচার কোন উপায় দেখছি না। কিন্তু এই দর্শনার্থী মনের একান্ত কামনা নিয়ে বসে আছেন ৷ যেন আমি কৃপা করে ওর স্ত্রীর এ রোগটা আরোগ্য করে দি। কেউ যদি কোন কামনা বাসনা নিয়ে কাছে বসে থাকে তাহলে কি শাস্ত্রপাঠ চলে?” এভাবেই সহজভাবে নাঙ্গা বাবা সাধারণ ভক্তদের মাঝে আধ্যাত্মবাদের প্রচার করতেন। শোনা যায় যে ১৯৬২ সালের পর থেকে নাঙ্গা বাবা স্থায়ী আবাস হয় এই গির্নারী আশ্রম। সেই সময় নাঙ্গা বাবার বয়স কত সেই নিয়ে অনেক বিতর্ক ছিল। কেউ বলতেন তাঁর বয়স ১৯০ বছর। কেউ বলতেন তারও বেশি। আবার কোন কোন সময় এটাও শোনা গেছে, এই নাঙ্গা বাবাই সাধক তোতাপুরী, যার সাথে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণের সাক্ষাৎ ঘটে ১৮৬২ সালে। সম্ভবত সেই সময়ে পুরী মহারাজের বয়স ষাটের কাছাকাছি ছিল বলেই শোনা যায়।