জেলা মুর্শিদাবাদ
ঘটনাটি বিএসএফ – এর ১৪১ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি ফারজিপারা এলাকার।যখন
২রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২টোর দিকে, বিএসএফ -এর অ্যান্টি হিউম্যান ট্রাফিকিং ইউনিট খবর পায় যে একজন বাংলাদেশী নাগরিক অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করছে। তথ্য পাওয়ার সাথে সাথে জওয়ানরা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে একজন অনুপ্রবেশকারীকে ধরে ফেলে। তার পরিচয় সুজন সরদার, পিতার – আলম সরদার, গ্রাম – তোথরপারা, জেলা – খুষ্টিয়া (বাংলাদেশ)। আরও জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় যে সে কাজের সন্ধানে একজন ভারতীয় বন্ধুর কাছে আসছিল যার নাম সাইন মন্ডল, পিতা – শাদিক মণ্ডল, গ্রাম- ঘোসপারা (জলঙ্গী) জেলা মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা।
দ্বিতীয় ঘটনায়, বামনাবাদের বিএসএফ -এর ১১৭ ব্যাটালিয়ন সীমান্ত ফাঁড়ি এলাকার,যখন আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ মাছ পাচারের চেষ্টা করছিল এক বাংলাদেশী চোরাচালানকারী।
তারিখ ২রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ এ বিএসএফ -এর গোয়েন্দা বিভাগ থেকে প্রাপ্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে, ১১৭ ব্যাটালিয়ন এর সীমান্ত চৌকি বামনাবাদ এলাকায় জওয়ানরা একটি বিশেষ অভিযান চালায় । দুপুর আনুমানিক আড়াইটা নাগাদ জওয়ানরা এক বেক্তির সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ করে। সন্দেহজনক বেক্তিকে তাকে তল্লাশি করা হলে তার কাছ থেকে আনুমানিক ২০ কেজি ইলিশ মাছ উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে তার নাম মিন্টু মন্ডল, পিতা – হরেজ মণ্ডল , পোলাঘরির (মুর্শিদাবাদ) বাসিন্দা।
গ্রেপ্তারকৃত চোরাচালানকারী এবং অনুপ্রবেশকারীকে বাজেয়াপ্ত ইলিশ মাছসহ পরবর্তী আইনী প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিএসএফ এর
কর্মকর্তারা জওয়ানদের উপলব্ধিতে খুশি প্রকাশ করেছেন । তিনি বলেছেন যে আমাদের জওয়ানরা এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান বন্ধ করতে সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জওয়ানদের সতর্কতা ও বোঝাপড়ার ফলে পুরো এলাকায় চোরাচালান বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
