কেন্দ্রীয় সরকার করোনার মোকাবিলায় দরিদ্র মানুষের লড়াইয়ে সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার আওতায় গত বছরের ২৬ মার্চ ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকার ত্রাণ প্যাকেজের কথা ঘোষণা করে। এই প্যাকেজের অঙ্গ হিসাবে জাতীয় সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির সুফলভোগী সমস্ত জীবিত বয়স্ক ব্যক্তি, বিধবা ও দিব্যাঙ্গজনরা দুই কিস্তিতে ৫০০ টাকা করে মোট ১ হাজার টাকা এককালীন অনুদান পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার আওতায় গত বছরের এপ্রিল ও মে মাসে দুই কিস্তিতে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে মোট ২ হাজার ৮১৪ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা অনুদান সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, জাতীয় সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ২ কোটি ৮২ লক্ষ সুফলভোগী লাভবান হয়েছেন। এছাড়াও, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় পেনশন কর্মসূচির মাধ্যমে ৭ লক্ষ ৭৩ হাজার সুফলভোগীকে ৭৭ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকার এককালীন অনুদান সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ করা যেতে পারে, জাতীয় সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির নীতি-নির্দেশিকা অনুযায়ী, ১৮-৭৯ বছর বয়সী সেই সমস্ত বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় পেনশন কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হয়, যাঁদের একাধিক অঙ্গ বিকল এবং যাঁরা দারিদ্র্য সীমার নীচে থাকা পরিবারের সদস্য।
লোকসভায় মঙ্গলবার এক লিখিত জবাবে এই তথ্য দেন গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী শ্রীমতী সাধবী নিরঞ্জন জ্যোতি। এক পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গে ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ৬২ হাজার ৪৯ জন বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় পেনশন কর্মসূচির আওতায় রয়েছেন।
