কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস প্রতিমন্ত্রী রামেশ্বর তেলি রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে জানিয়েছেন, রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সমস্ত বাজারে সুফলভোগী/ রেশন কার্ডধারীদের জন্য কেরোসিনের খুচরো বিক্রয় মূল্য সংশ্লিষ্ট রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত সরকার স্থির করে থাকে। তবে, খুচরো বিক্রয় মূল্যের বিষয়টি কেরোসিনের যোগান, পাইকারি/ খুচরো বিক্রেতাদের কমিশন প্রভৃতি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। মুম্বাইয়ে গণবন্টন ব্যবস্থার আওতায় বিলি করা কেরোসিনের খুচরো বিক্রয় মূল্য লিটার প্রতি ৪৯ টাকা ২৬ পয়সা গত পয়লা ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। অবশ্য সারা দেশে নীল (শূন্য) আন্ডার-রিকোভারি পর্যায়ে গণবন্টন ব্যবস্থার আওতায় বিলি করা কেরোসিনের খুচরো বিক্রয় মূল্য ২০২০-র পয়লা মার্চ থেকে কার্যকর হয়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকার রান্নার কাজে এবং আলো জ্বালানোর জন্য রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে গণবন্টন ব্যবস্থার আওতায় কেরোসিন বরাদ্দ করে। অন্যদিকে, ভর্তুকি বিহীন গণবন্টন ব্যবস্থার আওতায় কেরোসিন বার্ষিক ভিত্তিকে রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বরাদ্দ করা হয়। গণবন্টন ব্যবস্থার আওতায় কেরোসিন বিলি করার প্রাথমিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের। তাই কেরোসিন বন্টনের শর্তাবলী কী হবে তা সংশ্লিষ্ট রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল স্থির করে। অবশ্য, গণবন্টন ব্যবস্থার আওতায় কেরোসিন প্রধানত দারিদ্র সীমার নীচে থাকা পরিবারগুলিকে বিলি করা হয়। একাধিক বিষয় বিবেচনায় রেখে ২০১০-১১ থেকে রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে গণবন্টন ব্যবস্থায় কেরোসিন বরাদ্দের ক্ষেত্রে সরলীকরণ করা হয়েছে।
