কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম প্রধান ‘থিঙ্ক ট্যাঙ্ক’ হলো নীতি আয়োগ। নীতি আয়োগ ‘যা মাপকাঠি ঠিক করে, তাই বাস্তবায়িত হয়’ সরকার এই মন্ত্রে বিশ্বাসী।তাই, অংশীদারিত্ব এবং প্রতিযোগিতামূলক সরকারি ব্যবস্থাপনার অঙ্গ হিসেবে নীতি আয়োগ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে অগ্রগতিতে কাজ করে চলেছে।

২০১৭ সালে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর ট্রান্সফর্মিং ইন্ডিয়া (নীতি আয়োগ) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক এবং বিশ্বব্যাঙ্কের সহযোগিতায় সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে সামগ্রিক অগ্রগতি, ক্রমবর্ধমান কর্মক্ষমতা ইত্যাদি বিষয়ের ওপর নজর রেখে একটি বার্ষিক স্বাস্থ্য সূচক প্রকাশ করা শুরু করেছে। এই বার্ষিক স্বাস্থ্য সূচকের উদ্দেশ্যই হল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অগ্রগতি, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সুযোগ-সুবিধার বিকাশ সাধন এবং রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মধ্যে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের উন্নতি সাধনে বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা গড়ে তোলা। স্বাস্থ্য সূচকের প্রাপ্ত নম্বর এবং রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য ক্রমতালিকা আগামী বছরে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের উন্নতি সাধনে অনুপ্রাণিত করে তোলে এবং বর্তমান অবস্থা থেকে উন্নতি সাধনে প্রেরণা যোগাতে সাহায্য করে। এই স্বাস্থ্য সূচকে ২৪টি মাপকাঠি রয়েছে। তার ওপর ভিত্তি করে এই সূচক তৈরি করা হয়। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলতে শক্তিশালী স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে তোলা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রে উন্নতিসাধনের লক্ষ্যেই এই স্বাস্থ্য সূচক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক এই স্বাস্থ্য সূচকের ওপর ভিত্তি করে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের আওতায় রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, আর্থিক সাহায্য করে থাকে। নীতি আয়োগ একটি পোর্টালের মাধ্যমে এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে। এরপর চূড়ান্ত বিচার-বিশ্লেষণ করে এই সূচক তৈরি করা হয়। আগাম ২৭ ডিসেম্বর দুপুর ১২টায় নীতি আয়োগ এই ক্রমতালিকা প্রকাশ করবে।