শ্রেয়া ঘোষাল

৪র্থ পর্বের পর…..

বরাবর দিদি আর সুকে যেভাবে দাবিয়ে রেখেছে। দিয়েছে এখন মেয়ে নাকে ঝামা ঘযে। মুম্বাই না হাতি। আস্তে আস্তে এসবও থিতিয়ে গেছে। সুকোমলের প্রেসার বেড়েছে। আরও খিটখিটে। আমার ঘুমের ওষুধের ডোজ বেড়েছে। তাও ঘুম আসেনা। মাঝরাতে উঠে বসে থাকি। বারান্দায়, ছাতে। সুকোমল ভয় পেয়ে যায়।

যদি কোনদিন কথা হয় ফিরে আসতে বলে দিও। সবকিছু মেনে নেব একটু থেমে বলে, বলা হয় নি তোমাকে। পশু বারুইপুরে যাচ্ছিলাম একটা মিটিংএ। লেভেল ক্রসিংএ পেছন থেকে দেখলাম। হেঁটে যাচ্ছিল তো। ট্রেন আসেনি তখনও। নীচু হয়ে লাইন ধরে এগিয়ে গেল। আমি আটকে রইলাম গাড়িতে। মিনিট তিনচার। একটাই তো সোজা রাস্তা। ঐটুকু সময়ে আর কোথায়ই বা যাবো।

সবটা দোকান, রাস্তা তন্ন তন্ন করে দেখতে দেখতে দুবার তিনবার আপডাউন করলাম। হয়তো ওখানেই ভাড়াতে। কেমন দেখলে? শাড়ি পরে ছিল জানো। পেছন থেকে তো, একটু রোগাই মনে হল। কোন শপিং মলে যে ছিল, সেটুকুও যদি জেনে রাখতাম। কি করতে? জামাই ষষ্ঠীতে নেমন্তন্ন ও না, নাকি যেন বলে ওরা দাওয়াত। না। অত সাহস নেই। সু যে মারটা সহ্য করছে মুখ খুঁজে, আমি মরে যেতাম। শপিং মলের ঠিকানাটা পেলে কি জানি কি করতাম… হয়তো তোমাকেই খবর দিতাম। তুমিও ওর চাকরিটা খেয়ে আসতে। এরকমভাবেই শেষ হয় সব কথা আমাদের আমার আর সুকোমলের। সু’র বাবা আর মা।

ক্রমশ…..