চন্দন চ্যাটার্জী

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের দামামা বেজে গিয়েছে সমস্ত ইউরোপ জুড়ে। ইংরেজ এবং ফরাসিরা প্রাণপনে লড়াই চালাচ্ছে জার্মান সৈন্যের সাথে। জার্মানির আক্রমণের প্রতিরোধ করতে সদ্য তৈরি হওয়া ব্রিটিশ এয়ার ফোর্সের তরুণ পাইলট রোনাল্ড নিকসন বম্বার প্লেন নিয়ে আকাশে।

চারাদিক থেকে ঘিরে ধরেছে জার্মান ফাইটার প্লেনগুলো। ঠিক সামনেও রয়েছে। মৃত্যু এবার সামনে নিকসনের। হঠাৎ তার চোখের সামনে সুউচ্চ রুপালী পর্বতের স্বর্গীয় আলোর ঝলকানি।

সে অপরূপ আলোয় বাহ্যজ্ঞান শূন্য নিকসন। এক অপার্থিব শক্তিতে ভরপুর নিকসন তার বম্বার প্লেনটিকে অনেক উঁচুতে উড়িয়ে নিয়েফিরে আসতে সক্ষম হলেন। সেদিন বম্বারগুলোই প্রায় সব ক্ষতিগ্রস্তহয়েছিল। বেঁচে গেল শুধু নিকসন।

যা ব্রিটিশ এয়ার মার্শালের কাছেও ছিল চরম বিস্ময়ের। কিন্তু বিস্মিত ছিল না নিকসন নিজে।

কারণ হসপিটালের বিছানাতে শুয়েও একই দৃশ্য বারবার দেখেছে। আর স্থির সিদ্ধান্তে এসেছেন যে, সেটি পবিত্র হিমালয়ের শৃঙ্গ আর দেশটির নাম ভারতবর্ষ।

ক্রমশ……..