ডা চন্দ্রগুপ্ত

অষ্টম পর্বের পর…..

বিএ ফার্স্ট ইয়ারে যখন পৌছুল, তর্ক-বিতর্ক তখন হাতাহাতির দিকে চলে যাচ্ছে। রৌনককে দেখে স্টুডেন্টরা অভিযোগ জানাতে থাকে। ‘গণতন্ত্রের নিয়ম হচ্ছে সবার সমান অধিকার। ছাত্র সংঘের কথা হল, তাদের বক্তব্যও আমাদের শুনতে হবে।

আজ ছাত্রসংঘের যে সুকান্ত দাসের বক্তব্য তোরা শুনতে চাইছিস না, ভোট শেষ হলেই সেই সুকান্তর সাথে আড্ডা দিবি,–না হয় এখনই আড্ডা দে, ক্ষতি কি? এটা তোরা কেন বুঝতে পারছিল না, প্রত্যেক মানুষ তার নিজের বিচারে সঠিক।’ রৌণকের সামঞ্জস্যপূর্ণ অথচ ছোট্ট বক্তব্যের পর ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসে গিয়ে বসল।

আর সুকান্ত ব্ল্যাক বোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তব্য শুরু করল, এক-দু লাইন বলার পর তাকিয়ে দেখছে রৌণক চলে গিয়েছে, কিন্তু ওর পুরো বক্তব্যে যেন রৌণকের ছায়া দেখা গেল।

পার্টি অফিসে বসে একটার পর একটা সিগারেট খেয়ে যাচ্ছে প্রণব বসু। ওর ঠিক সামনে চেয়ারে বসে রয়েছে বিশ্বস্ত তিন নেতা। জরুরি মিটিং চলছে। বাইরের কারো এখানে ঢোকার অনুমতি নেই।

বাইরে রাস্তার দিকে মুখ করে চিন্তিত সদস্যরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে কাপের পর কাপ চা খেয়ে চলেছে। ওদের মধ্যে একজন ইতিমধ্যে দেখতে পেয়েছে দুর থেকে কানাই একটা ফাইল নিয়ে হন্তদন্ত হয়ে এগিয়ে আসছে। মিনিট দশ আগে মিটিং ছেড়ে গিয়েছিল।

ক্রমশ……