শ্রীমন্ত গায়েন বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্সের মলিকিউলার রিপ্রোডাকশন ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগে কর্মরত। তাঁর গবেষণা গোষ্ঠীর লক্ষ্য ইঁদুর এবং মানুষের গড়ে ওঠার সময়ে জিনের এপিজেনেটিক রেগুলেশনের কাজকর্ম সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হওয়া এক্স ক্রোমোজোম ইনঅ্যাক্টিভেশন লেন্সের মাধ্যমে, জেনোমিক ইমপ্রিন্টিং এবং র্যানডম মনোঅ্যালেলিক অটোসোমাল জিনের প্রকাশের মাধ্যমে। তাঁর ল্যাবের সামগ্রিক লক্ষ্য হল, ক) ক্যান্সার স্টেম সেল বায়োলজির প্রথম দিকের রূপান্তর সম্পর্কে জ্ঞান বৃদ্ধি যাতে ক্যান্সার প্যাথোজেনেসিসকে ভালভাবে বোঝা যায় এবং তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায়, খ) এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা যাতে ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ)-এর মাধ্যমে জন্ম হওয়া শিশুদের লিঙ্গ নির্ধারণে বৈষম্য রোখা যায় এবং আইভিএফ-এর সাফল্যের হার বাড়ানো যায় এবং গ) মানব আইপিএসসি-র মান বাড়ানো যায়।
অপর বিজ্ঞানী রামরায় ভাটের গবেষণার বিষয় হল, স্তন এবং জরায়ুর ক্যান্সার মেটাস্টেসিসে পরিণত হওয়ার পদ্ধতি নির্ধারণ করা। তিনি তাঁর গবেষণায় বিশেষ নজর দিয়েছেন, কিভাবে পরিযায়ী ক্যান্সার সেল নিজেকে বহু কোষের সমাহারে পরিণত হয় যাতে প্রতিকূল শারীরিক পরিস্থিতির মধ্যে বেঁচে থাকা যায় এবং স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেদ করা যায়।
এই দুজন বিজ্ঞানীর সঙ্গেই আইআইএসসি-র বায়ো কেমিস্ট্রি বিভাগের তৃতীয় বিজ্ঞানী, শ্রী সন্দীপ ঈশ্বরাপ্পা ২০২১-এর ইএমবিও গ্লোবাল ইনভেসটিগেটর নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর গবেষণার বিষয়- জেনেটিক কোডের ধাঁধা সমাধান করে এমআরএনএ থেকে প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা।
ইএমবিও এমন একটি সংস্থা যার সদস্য সংখ্যা ১৮০০র-ও বেশি শীর্ষস্থানীয় গবেষক। এই সংস্থার লক্ষ্য- ইউরোপ এবং অন্যত্র জীবন বিজ্ঞান ক্ষেত্রে উৎকর্ষতার প্রসার ঘটানো। সংস্থার প্রধান লক্ষ্য – প্রতিভাশালী গবেষকদের সর্বক্ষেত্রে সহায়তা করা, বৈজ্ঞানিক তথ্য আদান-প্রদানে উৎসাহ যোগানো এবং এমন একটি গবেষণার পরিবেশ তৈরি করায় সাহায্য করা যেখানে বিজ্ঞানীরা তাঁদের সেরা অবদান রাখতে পারেন।
