গ্রামীণ শাসন এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পঞ্চায়েতগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। দেশের সংবিধানের ৭৩ তম সংশোধনীর মাধ্যমে স্থানীয় স্ব-শাসন ব্যবস্থা চালু করার অঙ্গ হিসেবে পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থাপনার সূচনা হয়। সংবিধান অনুসারে গ্রামোন্নয়ন, সামাজিক ন্যায় বিচার, পরিকল্পনা গ্রহণ, আর্থিক বিকাশ ইত্যাদি বাস্তবায়নের ক্ষমতা ও দায়িত্ব পঞ্চায়েতের হাতেই দেওয়া রয়েছে।
সম্প্রতি রাজ্যগুলির সঙ্গে পঞ্চায়েত রাজ মন্ত্রকের পর্যালোচনা বৈঠকে পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সুযোগ সুবিধা নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রক গ্রামীণ শাসন ব্যবস্থার জন্য পঞ্চায়েতগুলির সক্ষমতা তৈরিতে রাজ্যগুলিকে সহায়তা করে থাকে। গ্রামীণ ভারতের ক্ষমতায়ণের জন্য পঞ্চায়েতি রাজ প্রতিষ্ঠানগুলির আধুনিকীকরণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ই-গ্রামস্বরাজ, ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চতুর্দশ অর্থ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী দক্ষতা উন্নয়ন – পঞ্চায়েত সশক্তিকরণ ও রাষ্ট্রীয় গ্রাম স্বরাজ অভিযানে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ২৮১৪.৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের সুপারিশে এই দুই ক্ষেত্রে ৩২১৭.০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত রাজ প্রতিমন্ত্রী কোপিল মোরেশ্বর পাটিল।
