বাজরার গুরুত্বের কথা ভেবে এবং এর উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রচারের লক্ষ্যে ভারত সরকার ২০১৮ সালকে বাজরার বছর হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। এই উদ্যোগকে সরকার আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে ২০২৩ সালকে আন্তর্জাতিক বাজরা বছর হিসেবে ঘোষণার জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় একটি প্রস্তাব পেশ করে তা অনুমোদন করেছে।
জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইনে পুষ্টি শস্যের একীকরণ এবং একাধিক রাজ্যে বাজরা মিশন বা সেন্টার ফর এক্সেলেন্স প্রতিষ্ঠা সহ একগুচ্ছ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এতদসত্ত্বেও উপভোক্তাদের মধ্যে বাজরার উৎপাদন বা বন্টন নিয়ে সমস্যা রয়ে গেছে। বিদ্যালয় অভিমুখী শিশু এবং প্রজনন বয়সের মহিলাদের পুষ্টির প্রতি যত্ন নিতে এই ধরনের খাদ্য শস্যের প্রয়োজন রয়েছে। ভারতের নীতি আয়োগ এবং রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বা ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্র্যাম-এর সঙ্গে বাজরা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একটি সংকল্প মূলক বিবৃতিতে স্বাক্ষরিত হয়েছে। গত ২০ ডিসেম্বর, ২০২১-এ এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
