ডিজিটাল: প্রায় সব গৃহস্থের বাড়িতেই কলা রোজের খাবারের তালিকায় থাকে ।
কিকি উপকারিতা আছে এতে:
কলা শর্করার ভালো উৎস হিসাবে ধরা হয়। তাই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের কলা খাওয়াতে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। বেশিরভাগ সময় স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস আর নিয়মিত শরীরচর্চা করলে প্রতিদিন দুটি কলা খাওয়া যেতে পারে।
কলাতে থাকা কার্বোহাইড্রেইট শক্তি যোগায় । অন্যদিকে মিষ্টি ও চিনি-জাতীয় খাবার থেকে প্রাথমিক শক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু তা দ্রুতই শেষ হয়ে যায়।
পেশির টানের সমস্যা সমাধান করতে পারে কলা। কলা উচ্চ পটাশিয়াম সমৃদ্ধ যা পেশির টানের সমস্যা দূর করে।
বুক মাঝে মাঝেই জ্বলে। কলা পাকস্থলীর অ্যাসিড পরিশোধিত করতে পারে। তাই বুক-জ্বালা পোড়ার সমস্যায় একের অধিক কলা খেলে উপকার পাওয়া যায়।
লৌহের ঘাটতি দেখা দিলে অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতার সমস্যা দেখা দেয়। রক্তের লোহিত কণিকা বাড়াতে কলা সহায়তা করে।
নিয়মিত কলা খাওয়া পেট পরিষ্কার করতে সহায়তা করে।
* যেকোনো শারীরিক বিষয়ে বেশি অসুবিধে হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
( তথ্য: bdnews 24)
