গত ২৩ শে জুলাই, ২০২১, দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অধীনে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর জওয়ানরা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার সময় ৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে যারা ১১২ ব্যাটেলিয়ন এর সীমান্ত চৌকি হাকিমপুর, বিথারী ও তারালী এবং ১৫৩ ব্যাটেলিয়ন এর সীমান্ত চৌকি ঘোজাদডাঙ্গা উত্তর ২৪ পরগনার এলাকা দিয়ে সীমান্ত অতিক্ৰম করার চেষ্টা করছিল।

ওই দিন ১১২ ব্যাটেলিয়ন সেক্টর কোলকাতার সীমান্ত চৌকি হাকিমপুর, তারালী ও বিথারির জওয়ানরা ৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার সময় গ্রেপ্তার করে , তাদের মধ্যে কয়েকজন ভারতে আসছিলো এবং কিছু লোক বাংলাদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। একইরকম আরও একটি ঘটনাও ঘটেছে ১৫৩ ব্যাটেলিয়ন এর সীমান্ত চৌকি ঘোজাডাঙ্গায়, যেখানে ভারত থেকে বাংলাদেশে যাওয়ার সময় ১ জন বাংলাদেশি নাগরিক কে সীমান্তে ধরা হয় । গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের পরিচয় :-
১) জনি শেখ পিতা – শাহজাহান শেখ।
২) রোমিনা শেখ, গ্রাম – মির্জাপুর, থানা – নড়াইল, জেলা – নড়াইল, বাংলাদেশ।
৩) রিমা মৌলা, স্বামী-আলামীন, গ্রাম-কদমতলা মওলা বাড়ি, জেলা – চাদপুর, বাংলাদেশ।
৪) রবীন্দ্র বড়োই, পিতা-কানাই বড়োই, গ্রাম-কুমারিয়া, জেলা গোপালগঞ্জ, বাংলাদেশ।
৫) সালমা সরদার, স্ত্রী – সাইফুল মন্ডল, গ্রাম – আরামগাছা, জেলা সাতক্ষীরা, বাংলাদেশ।
৬) ফরিদা কুরাসি , স্ত্রী- ইলিয়াস কুরাসী, গ্রাম- পোয়ালো, জেলা – যশোর, বাংলাদেশ।
৭) খাদিজা শেখ, স্বামী- অনূপ অমৃত লাল চৌরাসিয়া, গ্রাম- মন্ডলগতি , জেলা- খুলনা, বাংলাদেশ।
৮) বাবলু শেখ, পিতা- দুলাল শেখ, গ্রাম বিষনুপুর, জেলা- নড়াইল,
৯) মোহাম্মদ রখমান রহিম ফোরজি, পিতা-সামথ ফরজি, গ্রাম ফাউলান বাড়ি বাসস্ট্যান্ড, জেলা – বাগেরহাট, বাংলাদেশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন সকলেই নিজেকে বাংলাদেশের নাগরিক বলে স্বীকার করেছে। এই ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন কাজের সন্ধানে ভারতে আসার চেষ্টা করছিলো এবং কেউ কেউ ভারত থেকে বাংলাদেশে গিয়ে পরিবারের সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলো । তারা সকলেই অবৈধভাবে সীমান্ত পেরোনোর চেষ্টা করছিল যে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর জওয়ানরা তাদের সবাইকে ধরে ফেলে। এই ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন দালালের সাহায্যে সীমান্ত অতিক্রম করছিলো , যার মধ্যে একজন দালালের নাম পিন্টু, গ্রাম- রোজিবুর, হাসনাবাদ, উত্তর চব্বিশ পরগনা।

গ্রেপ্তারকৃত সমস্ত ব্যক্তিদের ও তাদের সমস্ত জিনিসপত্র সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

১১২ ব্যাটেলিয়ন এবং ১৫৩ ব্যাটেলিয়ন -এর কমান্ডিং অফিসাররা তাদের জওয়ানদের কৃতিত্বের জন্য আনন্দ প্রকাশ করেছেন যার ফলশ্রুতিতে ১১২ তম ব্যাটেলিয়ন ০৮ জন বাংলাদেশী এবং ১৫৩ ব্যাটেলিয়ন ০১ জন বাংলাদেশী নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে । তারা বলেছেন যে কেবল তাদের কর্তব্যরত জওয়ানদের দ্বারা সতর্কতা প্রদর্শন করার কারণে এটি সম্ভব হয়েছে।