ওয়েব ডেস্ক; ১ জানুয়ারী: ৩০ জানুয়ারী দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের অধীন ১১২ ব্যাটালিয়নের সীমা চৌকি আমুদিয়ার সতর্ক জওয়ানরা ৮ টি সোনার বিস্কুট সহ এক চোরাকারবারীকে আটক করেছে যখন সে সেগুলি শরীরের গহ্বরে (মলদ্বারে) লুকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। জব্দ করা সোনার বিস্কুটের ওজন ৯৩২ গ্রাম এবং যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৫৪,৭৮,৮৫৫/- টাকা। ধৃত পাচারকারীর পরিচয় – মাদাই মন্ডল, জেলা উত্তর ২৪ পরগনা।
কর্তব্যরত বিএসএফ জওয়ানরা এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আমুদিয়া গ্রামের দিকে যেতে দেখেন। জোয়ানরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থামায়। যখন তাকে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছিল, তখন তার তলপেটের কাছে থেকে বিপ বিপ শব্দ আসতে থাকে। যখন জোয়ানরা তাকে জিজ্ঞাসা করে যে সে তার তলপেটে কোন ধাতু লুকিয়ে রেখেছে কি না, তখন সে অস্বীকার করে। তাড়াতাড়ি করে তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে চিকিৎসকরা তার এক্স-রে করেন। এরপর মেডিকেল রিপোর্টে তার পেটে ৮ টি সোনার বিস্কুট পাওয়া যায়।
জিজ্ঞাসাবাদে চোরাকারবারি জানায়, সে দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত। সে আরও জানায়, এই বিস্কুটগুলো তাকে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা রহিম দিয়েছিল। এরপর সে মলদ্বার দিয়ে এসব বিস্কুট পেটে লুকিয়ে রাখে। এরপর সে এই সোনা উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিথারির বাসিন্দা সুরেশের কাছে তুলে দিতে যাচ্ছিল । এই কাজের জন্য সে মাত্র ৩০০ টাকা পেত। কিন্তু সীমারেখা পার হওয়ার আগেই বিএসএফ জওয়ানরা তাকে ধরে ফেলে।
আটক চোরাকারবারী ও জব্দকৃত সোনা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তেন্তুলিয়া কাস্টম অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে।
১১২ ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার বলেন, সীমান্তে চোরাচালান বন্ধে বিএসএফ ক্রমাগত চেষ্টা করছে এবং অনেকাংশে সফল হয়েছে। চোরাচালানের মতো অপরাধে জড়িতরা ধারাবাহিকভাবে ধরা পড়ছে । তিনি আরও বলেন যে বিএসএফ ক্রমাগত সুরেশকে ধরার চেষ্টা করছে, যাকে ওই সোনার চালান হস্তান্তর করা হতো।
