এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন, ইপিএফও কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তার চাহিদা মেটাতে এবার এয়ার ইন্ডিয়াকে অনবোর্ড করেছে। এয়ার ইন্ডিয়া লিমিটেড স্বেচ্ছায় ইপিএফ এবং এমপি অ্যাক্ট ১৯৫২ র ১(৪) এর অধীনে কভার করার জন্য আবেদন করেছে। এটি ১৩ জানুয়ারি, ২০২২-এ গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অনুমোদিত হয়েছে।

এয়ার ইন্ডিয়ার প্রায় ৭,৪৫৩ জন কর্মচারীকে সামাজিক নিরাপত্তা জনিত সুবিধা প্রদান করা হবে। এজন্য এয়ার ইন্ডিয়া ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ইপিএফও- তে আবেদনপত্র জমা দিয়েছিল।

এয়ার ইন্ডিয়ার কর্মচারীরা এখন থেকে নিম্নলিখিত সুবিধাগুলির অধিকারী হবেন।

১) কর্মচারীরা তাদের মজুরির ১২ শতাংশ হারে তাদের ভবিষ্যৎ তহবিল একাউন্টে অতিরিক্ত ২ শতাংশ নিয়োগকর্তার অবদানের মাধ্যমে পাবেন। এর আগে তারা ১৯২৫ সালের প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাক্টের আওতায় ছিলেন। যেখানে প্রভিডেন্ট ফান্ডে অবদান ছিল ১০ শতাংশ নিয়োগকর্তার এবং বাকি ১০ শতাংশ কর্মচারীর।

২) কর্মচারীদের জন্য এবার থেকে ইপিএফ প্রকল্প ১৯৫২, ইপিএস ১৯৯৫ এবং ইডিএলআই ১৯৭৬ চালু করা হবে।

৩) কর্মচারীদের জন্য ন্যূনতম নিশ্চিত পেনশন হিসাবে ১ হাজার টাকা পাওয়া যাবে। এমনকি কর্মচারীদের মৃত্যুর ক্ষেত্রে পরিবার ও নির্ভরশীলরাও পেনশন পাবেন।

৪) সদস্যের মৃত্যুর ক্ষেত্রে একটি নিশ্চিত বীমা সুবিধা সর্বনিম্ন ২.৫০ লক্ষ এবং সর্বাধিক ৭ লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে। এই সুবিধার জন্য ইপিএফও আওতাভুক্ত কর্মীদের কোন প্রিমিয়াম চার্জ করা হয় না।

১৯৫২-৫৩ সাল থেকে এয়ার ইন্ডিয়া এবং ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স দুটি পৃথক সংস্থা হিসেবে ছিল। যেগুলি প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাক্ট ১৯২৫-এর আওতায় ছিল। পরবর্তীকালে ২০০৭ সালে দুটি সংস্থা একটি সংস্থায় রূপান্তরিত হয়ে এয়ার ইন্ডিয়া লিমিটেড নাম হয়। সেক্ষেত্রে তারা প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাক্ট ১৯২৫-এর অধীনে প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুবিধা পেত। কিন্তু কোন বিধিবদ্ধ পেনশন স্কিম বা বীমা প্রকল্প ছিল না। ফলে কর্মচারীরা স্ব-অনুদান মূলক বার্ষিক ভিত্তিক পেনশন প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতেন।