ডিজিটাল; ৩ মে: এবছরের এপ্রিল মাসে জিএসটি রাজস্ব সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৫৪০ কোটি টাকা। এরমধ্যে, সিজিএসটি বাবদ ৩৩ হাজার ১৫৯ কোটি টাকা, এসজিএসটি বাবদ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা, আইজিএসটি বাবদ ৮১ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা (পণ্য সামগ্রী আমদানি থেকে সংগৃহীত ৩৬ হাজার ৭০৫ কোটি টাকা সহ) এবং সেস বাবদ ১০ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা (পণ্য সামগ্রী আমদানি থেকে সংগৃহীত ৮৫৭ কোটি টাকা সহ) সংগ্রহ হয়েছে।
এবছরের এপ্রিল মাসে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ এযাবৎ সর্বাধিক। মার্চ মাসে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৯৫ কোটি টাকা, যা এবার ২৫ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকার আইজিএসটি খাতে সিজিএসটি বাবদ ৩৩ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা এবং এসজিএসটি বাবদ ২৬ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা মিটিয়ে দিয়েছে। এর ফলে, আলোচ্য মাসে প্রাপ্য অর্থ মিটিয়ে দেওয়ার পর কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে সিজিএসটি বাবদ ৬৬ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা এবং এসজিএসটি বাবদ ৬৮ হাজার ৭৫৫ কোটি টাকা।
চলতি বছরের এপ্রিল মাসে জিএসটি বাবদ রাজস্বের পরিমাণ গত বছরের একই মাসের তুলনায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। পণ্য সামগ্রী আমদানি খাতে রাজস্বের পরিমাণ ৩০ শতাংশ বেড়েছে। এমনকি, অভ্যন্তরীণ লেনদেন থেকে রাজস্বের পরিমাণ ১৭ শতাংশ বেড়েছে। এই প্রথম জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ দেড় লক্ষ কোটি টাকার সীমা ছাড়িয়েছে। মার্চ মাসে ই-ওয়ে বিল তৈরি হয়েছে ৭ কোটি ৭০ লক্ষ, যা গত ফেব্রুয়ারি মাসে ৬ কোটি ৮০ লক্ষ ই-ওয়ে বিলের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি।
মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সদ্য সমাপ্ত এপ্রিল মাসে গত ২০ এপ্রিল একদিনেই সর্বাধিক পরিমাণ কর সংগ্রহ হয়েছে। সেদিন বিকেল চারটে থেকে পাঁচটা পর্যন্ত এক ঘন্টাতেই ৫৭ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা জিএসটি মেটানো হয়েছে। এছাড়াও লেনদেন খাতে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা জিএসটি মেটানো হয়েছে। একই ভাবে ১ কোটি ৬ লক্ষ জিএসটিআর-৩-বি ফর্ম দাখিল করা হয়েছে। এরমধ্যে ৯২ লক্ষ রিটার্ন দাখিল ছিল মার্চ মাসের। অন্যদিকে, সদ্য সমাপ্ত এপ্রিল মাসে ১ কোটি ৫ লক্ষ জিএসটিআর-১ ইনভয়েস স্টেটমেন্ট জারি করা হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ থেকে ২০২১-এর এপ্রিল মাসে জিএসটি খাতে রাজস্ব সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা। সদ্য সমাপ্ত এপ্রিল মাসে এই সংগ্রহের পরিমাণ গত বছরের ওই একই মাসের তুলনায় ৮ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা হয়েছে।
