সময়ের উপরে ধুলোর আস্তরণ পড়ে, কখনো বা মহামারীর প্রকোপে যতই আমাদের স্মৃতিকে ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করুক না কেন, চাকরিপ্রার্থী কিছু ছাত্র-ছাত্রীদের ২৯ দিনের অনশন এখনো সাধারন মানুষের কাছে দগদগে ঘা হয়ে রয়েছে।
আজ কলকাতা প্রেসক্লাবে সেই পুরনো স্মৃতিকে আবার যেন তারা নতুন করে জাগিয়ে তুললেন এসএসসি যুব ছাত্র অধিকার মঞ্চ। আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করেন যে ২০১৯ সালের দীর্ঘ অনশনের শেষে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি কোনভাবেই বাস্তবায়িত হয়নি। তবে কিছু সংখ্যক মানুষের সুবিধা হয়েছে। ওইদিন মুখ্যমন্ত্রী যাদের প্রতিনিধি নিযুক্ত করেছিলেন, তারা এবং তাদের পরিবারের কয়েকজনই মাত্র নিয়োগপত্র পেয়েছে। সাংবাদিকদের সামনে সংগঠনের সভাপতি মহিদুল ইসলাম এই কথাগুলো বলতে বলতে আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েন। তিনি আরো বলেন, আগামী ১২ মার্চ বেলা এগারোটা থেকে ১৪ মার্চ বেলা এগারোটা পর্যন্ত অর্থাৎ ৪৮ ঘন্টা ধরে সমস্ত কলকাতা জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনশন আন্দোলন তারা করবে। এক্ষেত্রে তারা স্থানে স্থানে ৫/৬ জন করে এই অনশন কর্মসূচি করবেন। অনশন কর্মসূচির সময় তারা অবশ্যই নজর রাখবেন যে কোন কোন রাজনৈতিক দল তাদের পাশে থেকেছে বা থাকছে। কারা কী প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন এবং আগামী দিনে তার ফল কি হতে পারে।
এই কর্মসূচি ঠিক পরেই তারা শুরু করবে এক গন কনভেনশন, কলকাতাতেই করবেন সেটি। তবে মহিদুল ইসলামের কথা স্মরণ করিয়ে দেন যে নির্বাচনের পর যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তারা তাদের কাছেই ন্যায্য অধিকার চাইবে। না দিলে, তারা আন্দোলন আর কখনোই প্রত্যাহার করবেন না। তাদের একটিই “দাবি দুর্নীতির কারণে আমরা বঞ্চিত, তাই প্রেসক্লাবের সামনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নবম দশম শ্রেণীর সমস্ত যোগ্য ক্যান্ডিডেটদের অবিলম্বে নিয়োগ করতে হবে”।
