ডা চন্দ্রগুপ্ত

৩ য় পর্বের পর …..

হঠাৎ ঝালমুড়ির দোকানে দাঁড়ানো মেয়েটি হই হই করে উঠলো,এমা, যাহ্ পিছন দিকে তাকিয়ে দেখি দোকানের বোতলের ওপর রাখা ঝালমুড়ি মাটিতেপড়ে গেছে। আর দোকানদার ঝাল মুড়ি বানানো বন্ধ করে ফোনে কথা বলা হয় ভদ্রলোকের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে রয়েছে। মোবাইল কানে দেওয়া ভদ্রলোক পড়ে থাকা ঝাল মুড়ির ঠোঙার দিকে তাকিয়ে আছে। এগিয়ে এসে দোকানদারকে বলল, -এটা পড়ে গেল তো ! দোকানদার উত্তর দিল, -আমি তো কখন বানিয়ে রেখেছি। আপনি মোবাইলে কথা বলছেন। আচ্ছা দাঁড়ান দেখছি,আরেকবার বানিয়ে দেবো। ভদ্রলোক নিচু হয়ে পড়ে যাওয়াটা ঠোঙাটা উঠিয়ে নিলো হাতে। ঠোঙা থেকে খুব সামান্যই মাটিতে পড়ে গিয়েছিল, বাকিটা তোমার ভেতরে রয়েছে। সেটা হাতে নিয়ে দোকানদারকে ফিসফিস করে বলল,

-এটা কাউকে দিয়ে আসছি। কাকে। দেওয়া যায় বলোতো ?

দোকানদার ইশারায় দেখালো

মেট্রো স্টেশন এর গেটের সামনে

বসে থাকা ভিখারিগুলোর দিকে।

ভদ্রলোক ঠোঙাটা নিয়ে সেই দিকে

এগিয়ে গেল। একজন দুজনের

কাছে গিয়ে ওটা দেওয়ার চেষ্টা

করলো। ওরা সবাই নিতে অস্বীকার

করল। কি জানি, হয়তো দেখেছে যে

ঠোঁঙাটা মাটিতে পড়ে গিয়েছিল।

উনি আবার ঘুরে আসলেন সেখানে,

মানে দোকানদারের কাছে। তারপর সামনে রাখা ময়লা ফেলার বাক্সে ওইটা ফেলে দিলেন।

ক্রমশ……