ডা চন্দ্রগুপ্ত

১২ তম পর্বের পর……

প্রণব বসুর আন্দাজকে স্বীকৃতি দিয়ে দেবাশীষ মুখ খুলল,

—কিন্তু প্রণব দা, এতে দলের কি লাভ হবে, তাছাড়া— ‘পার্টির ক্লাসগুলো মন দিয়ে ফলো না করলে

তোমার মত স্টুপিডরা এমন প্রশ্নই করবে।—ঠিক যতটা বলা হয়েছে ততটাই করবে। হ্যাঁ একটা কথা। আজ আমরা এখানে আগামী পার্টি কংগ্রেসের প্রস্তুতির মিটিং করছিলাম। দলের বাকি সদস্যরা এটাই জানবে।’

ঠান্ডা অথচ দৃঢ়ভাবে কথা শেষ করে দরজার দিকে পা বাড়ালো প্রণব বসু।

আজ টিউশন শেষ করে শ্রেয়াকে নিয়ে ‘মল’-এ যাবার প্ল্যান করেছে রৌনক। কলেজ রাজনীতি করতে গিয়ে ব্যক্তিগত জীবনটাই শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয় ওর। ‘মল’-এর সেন্ট্রাল এসিতে দু’কাপ কফি নিয়ে শ্রেয়ার সাথে বহুদিন পর সময় কাটাবে আজ। মনটা খুব ফুরফুরে লাগছে রৌনকের। টিউশনের বাড়ি থেকে একটু দাঁড়িয়ে দূরে অপেক্ষা করতে থাকল। মনের আনন্দ ওকে আজ অধৈর্যও করে দিচ্ছে। কখন বের হবে শ্রেয়া! অবশেষে চিন্তার অবসান ঘটিয়ে সঙ্গীসহ বেরিয়ে এল শ্রেয়া। টপ আর পালজোতে দারুণ লাগছে আজ। গেটের বাইরে এসে এদিক-ওদিক তাকাতে থাকল শ্রেয়া। আধো অন্ধকারে পথচলতি দু-একজন ওর দিকে দেখতে দেখতে এগিয়ে যাচ্ছে নিজের কাজে।

ক্রমশ……